শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ঢাকা

প্রকল্পের ২৩ শতাংশই অনিয়ম!

আব্দুল হাকিম
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রকল্পের ২৩ শতাংশই অনিয়ম!
ব্যয় নিয়ে আপত্তি তুলেছে অডিট কর্তৃপক্ষ। ছবি: ঢাকা মেইল

সরকারি প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তর, কেন্দ্র থেকে মাঠ প্রশাসনের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভার্চুয়াল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে জাতীয় ভিডিও কনফারেন্সিং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) পরিচালিত এই প্রকল্পের আওতায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রায় ২৩ শতাংশ ব্যয় নিয়ে অডিট আপত্তি ওঠায় প্রকল্প বাস্তবায়ন, ক্রয়প্রক্রিয়া ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অডিট নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রায় ৫৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকার এই প্রকল্পে বিভিন্ন খাতে মোট ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার ব্যয় নিয়ে আপত্তি তুলেছে অডিট কর্তৃপক্ষ। যদিও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন, অধিকাংশ আপত্তির বিপরীতে ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র ইতোমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু আপত্তি নিষ্পত্তিও হয়েছে।

সরকারি দফতরগুলোর মধ্যে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ২০২১ সালে `ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্ম শক্তিশালীকরণ' প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৪৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। পরে একাধিক সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় এবং প্রকল্পের মেয়াদও কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

প্রকল্পের আওতায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধা উন্নয়ন করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় ডাটা সেন্টারে কন্ট্রোল ইউনিট স্থাপন, স্যাটেলাইটভিত্তিক ব্যাকআপ ব্যবস্থা, মোবাইল স্যাটেলাইট ভ্যান, উন্নত ক্যামেরা, ডিজিটাল বোর্ড ও আধুনিক যোগাযোগ সরঞ্জাম সংযোজন করা হয়।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি, এই অবকাঠামো ব্যবহার করে ইতোমধ্যে হাজার হাজার সভা, সরকারি অনুষ্ঠান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। ফলে ভ্রমণ ব্যয়, সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের এই সাফল্যের আড়ালেই অডিটে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন।

৯টি আপত্তি, জড়িত ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা

অডিট প্রতিবেদনে মোট ৯টি বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আপত্তি দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ না করে দরপত্র দলিল প্রস্তুত ও ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত অর্থের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

অনিয়মে জর্জরিত গ্রিড প্রকল্প!

বাস্তুচ্যুতের নামে ব্যয়ের মহোৎসব, লাগাম টেনে ধরল পিইসি

অডিটে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে বেশি দামে পণ্য ক্রয়, প্রযোজ্য কর না কেটে অর্থ পরিশোধ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং সেবা গ্রহণের যথাযথ প্রমাণ ছাড়াই বিল পরিশোধের অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো স্যাটেলাইট ভ্যান রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই বিল পরিশোধের অভিযোগ। অডিট অনুযায়ী, এ খাতে সরকারের কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহার বা সংযুক্ত না থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ব্যয় অনুমোদনের অভিযোগও রয়েছে। অডিট প্রতিবেদনে মূল্য সংযোজন কর ও বিমা প্রিমিয়াম সঠিকভাবে জমা না দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এসব আপত্তি মিলিয়ে মোট জড়িত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

মেয়াদ বাড়ল, ব্যয়ও বাড়ল

শুধু অডিট আপত্তিই নয়, প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধিও আলোচনায় এসেছে। ২০২১ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরে একাধিকবার সময় বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যয়ও বেড়েছে। মূল ব্যয় ছিল ৪৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। পরে তা বাড়িয়ে ৫৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা করা হয়। অর্থাৎ, প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ।

পরিকল্পনা ও প্রকল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়লে তদারকি আরও জোরদার হওয়া দরকার। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে চলা প্রকল্পে ব্যয় ব্যবস্থাপনা ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

অডিট নথিতে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ও স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক নিয়মিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক প্রকল্প ব্যবস্থাপনা তথ্য ব্যবস্থায় (ই-পিএমআইএস) তথ্য হালনাগাদ রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

অডিট প্রতিবেদনে উত্থাপিত আপত্তিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সেগুলো কেবল হিসাব-নিকাশের ছোটখাটো অসঙ্গতি নয়; বরং সরকারি ক্রয়, চুক্তি বাস্তবায়ন, কর কর্তন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক শৃঙ্খলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। অডিট কর্মকর্তারা বিভিন্ন নথি, বিল-ভাউচার, চুক্তিপত্র ও অর্থ পরিশোধের রেকর্ড যাচাই করে মোট নয়টি বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করেছেন। এসব আপত্তিতে জড়িত অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

সরকারি অডিট পদ্ধতিতে কোনো ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিধি লঙ্ঘন, প্রয়োজনীয় অনুমোদনের ঘাটতি, বাজারদরের সঙ্গে অসঙ্গতি, কর কর্তনে অনিয়ম কিংবা কাজের যথাযথ প্রমাণ না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অর্থকে আপত্তির আওতায় আনা হয়। এই প্রকল্পেও একই ধরনের একাধিক বিষয় উঠে এসেছে।

প্রকল্পের সবচেয়ে বড় ব্যয়ের অংশ ছিল তথ্যপ্রযুক্তি যন্ত্রপাতি, ভিডিও কনফারেন্সিং সরঞ্জাম, সার্ভার, ক্যামেরা, ডিসপ্লে, সফটওয়্যার ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ক্রয়। কিন্তু এসব ক্রয়ের ক্ষেত্রে দরপত্র প্রক্রিয়া ও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে অডিটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

অডিটের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে টেন্ডার মূল্যায়নের সময় সরকারি ক্রয় বিধিমালার কয়েকটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া কিছু বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বিধি অনুযায়ী প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর যথাযথভাবে কর্তন কিংবা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

অডিটে এমন কয়েকটি বিলের বিষয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে, যেখানে সেবা গ্রহণের পর্যাপ্ত নথি বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র উপস্থাপন করা যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি প্রকল্পে কোনো প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পরিশোধের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যয়ন, পরিদর্শন প্রতিবেদন এবং গ্রহণ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। এসব নথির ঘাটতি থাকলে অডিট সেটিকে আপত্তি হিসেবে বিবেচনা করে। এ ধরনের আপত্তি ভবিষ্যতে একই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রকল্পের আওতায় একটি মোবাইল স্যাটেলাইট ভ্যানের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে অডিট বিভাগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ সেবা যথাযথভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলেও বিল পরিশোধ করা হয়েছে বলে অডিটের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট অর্থের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

অডিট নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পের আওতায় কেনা কিছু সম্পদের তালিকা, হস্তান্তর এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ছিল। যদিও পরে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ এসব সম্পদে প্রকল্পের নামসংবলিত স্টিকার লাগানো এবং হালনাগাদ সম্পদ নিবন্ধন প্রস্তুতের তথ্য দিয়েছে।

সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী, প্রকল্পে কেনা প্রতিটি সম্পদের জন্য পৃথক নিবন্ধন, অবস্থান, ব্যবহারকারী কর্মকর্তা এবং হস্তান্তরের তথ্য সংরক্ষণ করতে হয়। তা না হলে সম্পদের অপব্যবহার কিংবা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রকল্পের মোট ব্যয়ের প্রায় ২৩ শতাংশ অর্থ নিয়ে অডিট আপত্তি ওঠা নিঃসন্দেহে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার বিষয়। তারা বলছেন, অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি প্রমাণিত নয়। তবে এটি প্রশাসনিক দুর্বলতা, নথি সংরক্ষণে ঘাটতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অসতর্কতা কিংবা ক্রয় প্রক্রিয়ায় ত্রুটির ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রকল্পগুলোতে প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে অনেক সময় ক্রয় ও বাস্তবায়নের নথি যথাযথভাবে প্রস্তুত না হওয়ায় অডিট আপত্তি তৈরি হয়। কিন্তু পরে সেই আপত্তি নিষ্পত্তি করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।

পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক এক কর্মকর্তারা বলেন, কোনো প্রকল্পে বারবার সময় ও ব্যয় বাড়লে তার আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। কারণ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

অডিট আপত্তির জবাবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অডিট পর্যবেক্ষণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা, চুক্তিপত্র, বিল-ভাউচার, কার্যসম্পাদনের সনদ এবং অন্যান্য সহায়ক নথি ইতোমধ্যে অডিট অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে। কয়েকটি আপত্তি নিষ্পত্তিও হয়েছে। তবে কিছু বিষয়ে অডিট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।

আরও পড়ুন

কংক্রিটের দৌড়ে সবুজ ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ!

হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্পেও মিলছে না প্রত্যাশিত সুফল

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্মটি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন ছিল। করোনা-পরবর্তী সময়ে সরকারি কার্যক্রম সচল রাখা, জরুরি সভা পরিচালনা এবং জেলা-উপজেলার সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে অনেক সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে হয়েছে। সেই বাস্তবতায় কিছু নথিপত্রের ঘাটতি বা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না।

তবে অডিট বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ের চাপ কখনোই আর্থিক বিধিমালা লঙ্ঘনের যৌক্তিকতা হতে পারে না। কারণ সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি ধাপে আইন, বিধি ও আর্থিক শৃঙ্খলা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন সেক্টর-৭-এর পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ঢাকা মেইলকে জানান, প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নিয়মিত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) ও প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি (পিএসসি) সভা আয়োজন করে প্রকল্পের চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সুপারিশ গ্রহণ এবং সে অনুযায়ী বাস্তবায়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে প্রকল্প পরিচালকের প্রতি অডিট-সংক্রান্ত আপত্তিগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি, হালনাগাদ অডিট সম্পন্ন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য আইএমইডিতে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প সমাপ্ত প্রতিবেদন (পিসিআর) প্রস্তুতের সুবিধার্থে ই-পিএমআইএস সফটওয়্যারে প্রকল্প ব্যয়ের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে এবং প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত ছকে পিসিআর আইএমইডিতে পাঠানো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট সংস্থা কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে আইএমইডিকে অবহিত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

এএইচ/জেবি

 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর