বিশ্ববাজারের পর এবার দেশের বাজারেও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে দুই হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞাপন
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দুই লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ এক হাজার ছয় টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে, সবশেষ গত ২০ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে এক হাজার ৩৫৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ আট হাজার ১৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চে পৌঁছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ আগামী মাসে সুদের হার কমাতে পারে— এমন প্রত্যাশা জোরালো হওয়ায় শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পট গোল্ডের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি দাঁড়ায় ৪,২১০.৯৪ ডলারে, যা ১৩ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। পুরো সপ্তাহে ধাতুটি ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি এবং মাসজুড়ে ৫.২ শতাংশ বেড়ে টানা চতুর্থ মাসের মতো ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে।
ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচার ১.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ৪,২৫৪.৯ ডলারে স্থির হয়েছে।
জেবি

