ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলমা খাতুন কেন্দ্রিক ভিডিও অপপ্রচারের পর তদন্ত পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এসময় উপস্থিত ছিলেন,কেন্দ্রীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তারেকুল ইসলাম,জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আবু হুরায়রা, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব রত্না খাতুনসহ অন্যান্যরা।
সে সময় সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ঝিনাইদহের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলমা খাতুনসহ আরও ৫জন সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য ঢাকায় গিয়ে ফিরতে রাত হয়। এসময় তারা এক শুভাকাঙ্ক্ষী বাসায় রাত্রীযাপন করেন। ওই বাসার ফ্রিজে একটি মদের বোতল পায় এবং সে বোতল নিয়ে একটু ঠাট্টা বিদ্রুপ করছিলেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থাক ৭জনের কেউই মাদকাসক্ত না হওয়ায় সেটি পান করেনি। এটি কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিডিও করেনি। তবে তারা ঝিনাইদহে ফিরে আসার পর ভিডিও ধারণ করা ফোনটি ছিনতাই হয়ে যায়। এরপর কাটিং ভিডিও করে ফেইসবুকে কেউ অপপ্রচার চালাচ্ছে। পুরো ভিডিওটি সামনে আসলে বিষয়টির সত্যতা বেরিয়ে আসত। বিষয়টি নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে দ্রুতই জড়িতদেরকে ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
এর আগে ২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝিনাইদহের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলমা খাতুনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে এলমা খাতুনের হাতে একটি মদের বোতল এবং সাইদুর রহমানসহ তারা দুজনে এক বিছানায় দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই ফেইসবুকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এরপর সাইদুর রহমান ও এলমা খাতুনকে সাময়িক পদ স্থগিত রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/এসএস