বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

কাঁচা রাস্তায় ৪ গ্রামবাসীর ভোগান্তি

শামীম হোসেন সামন
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৩, ০৭:৫২ পিএম

শেয়ার করুন:

কাঁচা রাস্তায় ৪ গ্রামবাসীর ভোগান্তি

ঢাকার নবাবগঞ্জের শিকারীপাড়া ইউনিয়নে একটি কাঁচা রাস্তার কারনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। সড়ক উন্নয়ন না হওয়ায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মুখ থুবড়ে পড়েছে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন। উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের হাগ্রাদি-চরবাঘুরি-নরসিংহপুর ও কন্দ্রকপুর রাস্তার পুরো চিত্রই এমন। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিনিয়ত ৮/১০ হাজার মানুষের চলাচল। গ্রামের মানুষের উৎপাদিত কৃষিপণ্য হাটবাজারে নিয়ে যেতে হয় এ রাস্তা দিয়ে। তাই রাস্তাটি পাকাকরণে এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, কাঁচা রাস্তায় কাদামাটিতে চলাচলে ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহন। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শিকারীপাড়া টি.কে.এম উচ্চ বিদ্যালয়, আনোয়ারা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শিকারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাগ্রাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ ও শিকারীপাড়া তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কলেজসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। কখনো কখনো শিক্ষার্থীরা কাদায় পিছলে পড়ার ঘটনাও ঘটছে।

এদিকে নামমাত্র কিছু সংস্কার করা হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা রাস্তাটিতে ভোগান্তি আরও বাড়ে। যেন এলাকাবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই। বৃষ্টি হলে কাঁদা পানিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় এ রাস্তায় চলাচলকারী মানুষজনকে। বছরের পর বছর এমন অবস্থা থাকলে জনপ্রতিনিধিরা কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় নিয়মিত চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এলাকাবাসী।

হাগ্রাদি গ্রামের স্বাস্থ্যকর্মী নওরিন আক্তার বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টি হলেই এ রাস্তায় চলাচল করা যায়। প্রসূতি রোগীও অনেক কষ্টে হাসপাতালে নিতে হয়। রাস্তাটি সংস্কার করা হলে আমাদের অনেক সুবিধা হতো।’

শিকারীপাড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মো. শহর আলী বলেন, এই রাস্তাটি আমাদের চলাচলের একমাত্র পথ। এ রাস্তা ছাড়া আর কোনো আমাদের চলাচলের জন্য বিকল্প রাস্তা নেই। বর্ষাকালে একটু হালকা বৃষ্টি হলেই রাস্তার মাটি নরম হয়ে ব্যাপক হারে কাঁদা-মাটি ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলের সময় বিপাকে পড়তে হয় আমাদের। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।’

স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী বলেন, ‘প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে নামাজ পড়তে যাই। বৃষ্টি হলে কাঁদা-পানির  কারনে আর রাস্তা দিয়ে হাটা যায় না। মানুষের বাড়ির ওপর দিয়ে যেতে হয়। রাস্তাটি ঠিক করা হলে আমাদের কষ্ট কমতো।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হাগ্রাদি-চরবাঘুরি-নরসিংহপুর ও কন্দ্রকপুর যাওয়ার কাঁচা রাস্তায় শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষা মৌসুমে একটু বৃষ্টি হলেই একেবারে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বৃষ্টির ফোটা পড়ার পরই কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলীমোর রহমান খান পিয়ারা বলেন, ‘রাস্তাটির মাটির কাজ শেষ হয়েছে। সামনে ইটের সলিং হবে। এছাড়া চরবাঘুরি থেকে হাগ্রাদি পর্যন্ত কার্পেটিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ 

প্রতিনিধি/একেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর