তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
স্মার্টফোন আমাদের জীবনের এক অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কেবল কল করা নয়, অনলাইন পেমেন্ট, গুরুত্বপূর্ণ ছবি সংরক্ষণ এবং জরুরি নথিপত্র রাখার মতো নানা কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। তবে ফোনের নিরাপত্তার বিষয়ে সামান্য অসতর্কতাও বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে। সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ফন্দি আঁটে।
ফোনে থাকা প্রতিটি ফাইল থেকে অবশ্য সমান ঝুঁকি তৈরি হয় না। তবে পিডিএফ, ওয়ার্ড ডকুমেন্ট, জিপ ফাইল, এপিকে এবং ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা বিভিন্ন ফাইলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত ছবিতে সংবেদনশীল তথ্য থাকে। এই তথ্য ভুল হাতে চলে গেলে গোপনীয়তা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতে পারে।
আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপের এই ৫টি প্রাইভেসি সেটিংস ভুলেও অবহেলা করবেন না
সাইবার অপরাধীরা প্রায়ই ব্যাংক, কুরিয়ার, চাকরি, বিদ্যুৎ বিল বা পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে ভুয়া পিডিএফ বা ক্ষতিকর লিংক পাঠায়। অচেনা নম্বর বা ইমেইল থেকে আসা ফাইল সঙ্গে সঙ্গে খোলার প্রবণতা বিপজ্জনক হতে পারে। এমনকি পরিচিত কোনো প্রোফাইল থেকেও কোনো ফাইল এলে তা ভালোভাবে যাচাই না করে খোলা উচিত নয়। এছাড়া অপরিচিত ওয়েবসাইট বা মাধ্যম থেকে কোনো এপিকে ফাইল যাচাই না করে ইনস্টল করলে ফোনে সন্দেহজনক অ্যাপ ঢুকে পড়তে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত পারমিশন চাইতে পারে।
ফোন নিরাপদ রাখতে নিয়মিত ডাউনলোডের ফোল্ডার বা ডকুমেন্টস চেক করা উচিত। যেসব ফাইলের আর প্রয়োজন নেই, সেগুলো মুছে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া ফোনে সবসময় শক্তিশালী পিন বা পাসকোড ব্যবহার করতে হবে এবং সময়মতো অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ আপডেট রাখতে হবে। কোনো ফাইল খোলার পর হঠাৎ কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার অনুরোধ এলে কিংবা অপ্রয়োজনীয় পারমিশন চাইলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। ফাইল খোলার আগে প্রেরক, ফাইলের নাম এবং তার এক্সটেনশন ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া এবং অ্যাপগুলোকে কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী পারমিশন দেওয়াই ডেটা সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
এজেড