তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫১ এএম
স্মার্টফোনের যুগে ফিচার ফোন কি কেবলই একটি ক্ষণস্থায়ী ফ্যাশন, নাকি ডিজিটাল আসক্তির বিরুদ্ধে এক সত্যিকারের আন্দোলন? সর্বগ্রাসী ও সবকিছু করতে সক্ষম স্মার্টফোনের ভিড়ে ফিচার ফোনগুলো আবারও বাজারে ফিরে আসছে। তবে ‘ফিচার ফোন’ শব্দটির সংজ্ঞা অতীতের তুলনায় বর্তমানে আরও বেশি অস্পষ্ট।
মূলত যেসব ডিভাইস জেনেশুনেই নিজেদের সক্ষমতা সীমিত রাখে, সেগুলোকে এই ধারার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে কিছু ফোনে প্রোপাইটরি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়—যেমন এইচএমডির (HMD) সাম্প্রতিক নকিয়া ব্র্যান্ডের এআই ফিচার ফোন। আবার কিছু ফোনে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম থাকলেও তা এমনভাবে লক করা থাকে, যা ব্যবহারকারীকে একটি ‘বিরক্তিমুক্ত’ (distraction-free) অভিজ্ঞতা দেয়।
বাজারে প্রচলিত এসব ডিভাইসে সাধারণত ছোট ডিসপ্লে থাকে, যার কোনোটিতে মিনিমালিস্টিক কালো-সাদা ইউআই (UI)-ও দেখা যায়। সোনালী দিনের মতো এগুলোতে ফিজিক্যাল কিপ্যাডের পাশাপাশি নোকিয়া আশা ৩০৫-এর মতো পুরোপুরি টাচস্ক্রিন নির্ভর ফোনও রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে লাইট ফোন (Light Phone), সাইডফোন (Sidephone), কিন ফোন (Qin phones) এবং মুডিটা কমপ্যাক্ট (Mudita Kompakt)-এর মতো ডিভাইসগুলো প্রযুক্তি বিশ্বে বেশ আলোচনা তৈরি করেছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এসব ডিভাইস তৈরির মূল উদ্দেশ্য হলো আধুনিক স্মার্টফোনের বড় স্ক্রিন, শক্তিশালী চিপসেট এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের কারণে তৈরি হওয়া ডিজিটাল আসক্তি দূর করা বা প্রতিরোধ করা। এ ধরনের ফোনে টিকটক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্তহীন স্ক্রোলিংয়ের কোনো সুযোগ নেই বললেই চলে।
এদিকে এই ট্রেন্ড নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে চলছে নানা আলোচনা। এখন প্রশ্ন উঠেছে—আপনি কি ফিচার ফোন ব্যবহার করেন? কেন করেন?
আরও পড়ুন: ফোনে এই ৫ সেটিংস চালু থাকলে আপনি বিপদের মুখে পড়তে পারেন!
ফিচার ফোনের ব্যবহার নিয়ে পাঠকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য প্রকাশ করে পাঠকরা জানান, অনেকে ডিজিটাল আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে এগুলো ব্যবহার করছেন, আবার কেউ কেউ কাজের ফাঁকে অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইম কমাতে সেকেন্ডারি ডিভাইস হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ফিচার ফোন।
এই বিষয়ে আপনার নিজস্ব মতামত বা অভিজ্ঞতা কী?
এজেড