images

তথ্য-প্রযুক্তি

বাংলাদেশের বাজারে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলো দারাজ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

বাংলাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া গুঞ্জন ও ধোঁয়াশার প্রেক্ষিতে তারা স্পষ্ট করেছে যে, বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

দারাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অগ্রাধিকার হলো প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের মাধ্যমে পরিচালনা দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন করা। তারা বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী ডিজিটাল বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনায় অটল রয়েছে।
 
এছাড়া, নিয়মিত ব্যবসায়িক কাঠামোর পর্যালোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। সাম্প্রতিক কিছু আলোচনা প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত কার্যক্রমের প্রতিফলন নয় বলেও তারা উল্লেখ করেছে।

আরও পড়ুন: আলিবাবার প্রভাবে টালমাটাল দারাজ

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে তাদের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের ই-কমার্স ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। এই বিক্রেতাদের ব্যবসার বিকাশের ফলে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

ব্যবসায়িক প্রসারের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এবং কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের ব্যাপক প্রসারের ফলে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেই ডিজিটাল রূপান্তরের অংশীদার হিসেবেই দারাজ বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এজেড