তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১৯ মে ২০২৬, ০১:০১ এএম
তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই নতুন এসির বিকল্প হিসেবে কম দামের পুরনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড এসি কেনার দিকে ঝুঁকছেন। মধ্যবিত্তের কাছে এটি সাশ্রয়ী মনে হলেও সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়া পুরনো এসি কেনা বিপদের কারণ হতে পারে। ঠিকমতো পরীক্ষা না করা এসি থেকে শর্ট সার্কিট, অগ্নিকাণ্ড এমনকি বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি থাকে। তাই পুরনো এসি কেনার আগে এর ব্র্যান্ড, ব্যবহারের সময়কাল এবং যান্ত্রিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
একটি এসি দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে এর কম্প্রেসরসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। কেনার সময় অবশ্যই এসির অরিজিনাল ক্রয়ের রশিদ চেক করা উচিত এবং সেটি কত বছরের পুরনো তা দেখে নেওয়া ভালো। খুব বেশি পুরনো এসি না কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া এসির বৈদ্যুতিক সংযোগ, তারের অবস্থা এবং ইনসুলেশন পরীক্ষা করে নিতে হবে। আলগা তার বা নিম্নমানের প্লাগ ব্যবহারের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এসির গ্যাস বা রেফ্রিজারেন্ট ঠিকমতো আছে কি না এবং ভবিষ্যতে লিক হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, তা একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। পুরনো এসির ক্ষেত্রে ইনভার্টার এসি কেনা বেশি লাভজনক, কারণ নন-ইনভার্টার এসি বিদ্যুৎ বিল অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি এসির স্টার রেটিং দেখে নেওয়া জরুরি। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য অন্তত থ্রি-স্টার বা ফাইভ-স্টার রেটিংয়ের এসি বেছে নেওয়া ভালো।
আরও পড়ুন: সেকেন্ড হ্যান্ড এসি কেনা কি লাভজনক?

এসির ফিল্টারের অবস্থা এবং ইনডোর ও আউটডোর ইউনিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারের সময় যদি এসি থেকে পোড়া গন্ধ, অস্বাভাবিক শব্দ কিংবা ঘন ঘন এমসিবি ট্রিপ করার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। মেরামত করার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্ভিসিং সুবিধা পাওয়া যাবে কি না, তাও আগেভাগেই জেনে নেওয়া উচিত। সব দিক বিবেচনা করে সতর্কতার সাথে সেকেন্ড হ্যান্ড এসি কিনলে আর্থিক সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
এজেড