images

বিজ্ঞান

ওয়াশিং মেশিনে আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিল? খরচ অর্ধেক করার ৫টি কৌশল

বিজ্ঞান ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৯ পিএম

দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজে ওয়াশিং মেশিন এখন অপরিহার্য। হাড়ভাঙা খাটুনি কমিয়ে বোতামের টিপেই কাপড় পরিষ্কার হলেও, মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেকেরই কপালে ভাঁজ পড়ে। তবে আপনি কি জানেন, দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওয়াশিং মেশিন চালালে বিল অর্ধেক পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব? সঠিক নিয়ম না জেনে ভুলভাবে এই যন্ত্রের ব্যবহার কেবল বিলই বাড়ায় না, বরং বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।

পিক আওয়ার ও অফ-পিক আওয়ারের প্রভাব দিনের বিভিন্ন সময়ে বিদ্যুতের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এর দাম বা ট্যারিফ পরিবর্তিত হতে পারে। যে সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে, তাকে বলা হয় 'পিক আওয়ার'। সাধারণত সকালে এবং দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই পিক আওয়ার থাকে। এই সময়ে ওয়াশিং মেশিনের মতো উচ্চ শক্তির যন্ত্র চালালে বিল বেশি আসার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন 'অফ-পিক' সময়ে (যেমন- রাত ১০টার পর বা ভোরে) কাপড় কাচার। এতে বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর চাপ কম থাকে এবং বিলও সাশ্রয় হয়।

ঠান্ডা পানিতে কাপড় কাচা

ওয়াশিং মেশিনে পানি গরম করার হিটিং এলিমেন্ট প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করে। জামাকাপড় খুব বেশি নোংরা না হলে সাধারণ বা ঠান্ডা পানিতে ধোয়ার চেষ্টা করুন। এটি কেবল আপনার বিদ্যুৎ বিলই কমাবে না, বরং কাপড়ের ফেব্রিকও দীর্ঘকাল ভালো রাখবে।

dhakatoday1728846231washing-machz

মেশিনের ধারণক্ষমতার সঠিক ব্যবহার

অল্প কয়েকটা কাপড়ের জন্য বারবার মেশিন চালানো বিদ্যুতের বড় অপচয়। মেশিনের ড্রাম পুরোপুরি ভর্তি হওয়ার মতো কাপড় জমা হলে তবেই ওয়াশ সাইকেল শুরু করুন। এতে একই পরিমাণ বিদ্যুতে বেশি কাপড় পরিষ্কার হবে এবং আপনার সময়ও বাঁচবে।

ড্রায়ারের পরিমিত ব্যবহার
 
ওয়াশারের তুলনায় ড্রায়ার বা কাপড় শুকানোর যন্ত্রটি অনেক বেশি বিদ্যুৎ টানে। খুব বেশি জরুরি না হলে ড্রায়ার এড়িয়ে প্রাকৃতিক রোদে কাপড় শুকানোই সবচেয়ে সাশ্রয়ী। এছাড়া ড্রায়ারের লিন্ট ফিল্টার বা তুলার আঁশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে যন্ত্রটি দ্রুত কাজ করে এবং বিদ্যুৎ কম খরচ হয়।

আরও পড়ুন: ডিটারজেন্ট ছাড়াই জামা-কাপড় পরিষ্কার করবে এই ওয়াশিং মেশিন

পরিমিত ডিটারজেন্টের ব্যবহার

অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট ব্যবহারের ফলে ড্রামে ফেনা বেশি হয়, যা পরিষ্কার করতে মেশিনকে বারবার অতিরিক্ত পানি ও বিদ্যুৎ খরচ করতে হয়। তাই পরিমাণমতো ডিটারজেন্ট ব্যবহারও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের একটি পরোক্ষ উপায়।

এজেড