নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় এবার মালয়েশিয়ায় বিজয়ের মুকুট অর্জন করলেন বাংলাদেশি হাফেজ। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা। বিশ্বের ৩৮টি দেশের প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এই সাফল্য অর্জন করেন হাফেজ হিরা। তিনি রাজধানীর মিরপুর-১-এ অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামীর শিক্ষার্থী।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বর্ণাঢ্য সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার পর্দা নামে। এর আগে ৬ অক্টোবর প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম স্থান অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ হাফেজ হিরা পেয়েছেন ৪০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত নগদ অর্থ, একটি সম্মাননা ট্রফি, ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের উমরা অথবা মুসলিম পর্যটন প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের স্বর্ণের বার।
প্রতিযোগিতায় বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগী অংশ নেন। কয়েক ধাপে বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত পর্বে ৩৮টি দেশের প্রতিযোগী হিফজুল কোরআন বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে প্রথম হয়ে হাফেজ হিরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের স্বীকৃতি অর্জন করেন।
এর আগেও মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামীর কৃতী শিক্ষার্থী হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ ও সাদ নুরসহ অনেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনসহ গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।
২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটি অল্প সময়ের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তুরস্ক ও কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অভাবনীয় ফলাফলে আলোচনায় ওঠে আসে। মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হলেন মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম। তিনি গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
জেবি