ধর্ম ডেস্ক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
২০২৭ সালের হজে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসল্লি পবিত্র মক্কা-মদিনায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হজযাত্রী পাঠানোর সুযোগ পাওয়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও। সৌদি আরবের নির্ধারিত কোটার হিসাবে ৭৮ হাজার ৫০০ হাজির কোটা নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।
হজ কোটার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটির জন্য ২০২৭ সালে ২ লাখ ২১ হাজার হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ লাখ ৭৯ হাজার ২১০ জনের কোটা নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের কোটা ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫ জন।
শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইরান। দেশটির জন্য নির্ধারিত কোটা ৮৭ হাজার ৫৫০ জন। এরপরই বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন।
তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটির কোটা ৫০ হাজার। সপ্তম অবস্থানে থাকা ইথিওপিয়ার কোটা ৪৩ হাজার। ৪১ হাজার ৩০০ জনের কোটা নিয়ে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে আলজেরিয়া। নবম অবস্থানে থাকা তুরস্কের কোটা ৩৭ হাজার ৭৭০ এবং দশম অবস্থানে থাকা মিসরের কোটা ৩৫ হাজার ৩৭৫ জন।

বাংলাদেশের হজ কোটায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০১৭ সালে সৌদি আরব বাংলাদেশকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছিল। ওই বছর নির্ধারিত পুরো কোটাই পূরণ হয়েছিল এবং সর্বোচ্চসংখ্যক বাংলাদেশি হজ পালন করেন।
এরপর বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা কমতে থাকে। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে স্বাভাবিক হজ কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ২০২২ সালে সীমিত পরিসরে বাংলাদেশ ৬০ হাজার হজযাত্রীর কোটা পায়। ওই বছর হজ পালন করেন ৫৯ হাজার ৯১৬ জন।
২০২৩ সালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশের কোটা আবার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনে ফিরে আসে। ওই বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করেন ১ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন। তবে পরবর্তী দুই বছরে হজযাত্রীর সংখ্যা আরও কমে যায়। ২০২৪ সালে ৮৫ হাজার ২৫৭ জন এবং ২০২৫ সালে ৮৭ হাজারের কিছু বেশি বাংলাদেশি হজ পালন করেন।
২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ছিল ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এবারও একই সংখ্যক হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের আগের কোটার তুলনায় বর্তমান কোটা কমেছে ৪৮ হাজার ৬৯৮ জন। শতাংশের হিসাবে এ কমতি প্রায় ৩৮ শতাংশ।
জেবি