ধর্ম ডেস্ক
০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম হজরত মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী (দা.বা.) বলেছেন, ইসলামের মৌলিক আকিদার অন্যতম ভিত্তি হলো হজরত মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর সর্বশেষ নবী ও রাসুল। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট ঘোষণার আলোকে যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (স.)-এর চূড়ান্ত নবুয়ত অস্বীকার করে বা অন্য কাউকে নবী হিসেবে বিশ্বাস করে, সে ইসলামের মৌলিক আকিদা থেকে বিচ্যুত।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর আফতাবনগর মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত খতমে নবুয়ত কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির নায়েবে আমির এবং আফতাবনগর মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এবং মাওলানা ফয়সাল ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: চার দিনের সফরে বাংলাদেশে দেওবন্দের মুহতামিম
মুফতি আবুল কাসেম নোমানী বলেন, বর্তমান সময়ে মুসলিম উম্মাহকে কোরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ শিক্ষা এবং আকাবিরে দেওবন্দের মানহাজের আলোকে ঈমান-আকিদা সংরক্ষণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কাদিয়ানীসহ সব বাতিল মতবাদ ও বিভ্রান্তিকর আদর্শের অপপ্রচার মোকাবিলায় ইলম, দাওয়াত, হিকমাহ ও যুক্তিনির্ভর উপস্থাপনার মাধ্যমে সমাজে সহিহ আকিদার প্রসার ঘটাতে হবে।
তিনি বলেন, আকাবিরে দেওবন্দ সবসময় কোরআন, সুন্নাহ এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদার ভিত্তিতে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করেছেন। আজও মুসলমানদের ঈমান-আকিদা রক্ষা, দ্বীনের মৌলিক বিশ্বাস সংরক্ষণ এবং বিভ্রান্তিকর মতাদর্শ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
আরও পড়ুন: ৭ আগস্ট বায়তুল মোকাররমে জুমার আগে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম
তিনি সর্বস্তরের আলেম-উলামা, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মুসলমানদের বিশুদ্ধ ইসলামি আকিদা ও আদর্শের ওপর অটল থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কোরআন-সুন্নাহর অনুসরণ এবং আকাবিরে দেওবন্দের মানহাজ অনুযায়ী ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গড়ে তোলারও আহ্বান জানান।
কনফারেন্সে আরও বক্তব্য দেন দেওবন্দ মাদ্রাসার শুরা সদস্য মাওলানা হাসান মাহমুদ রাজস্থানী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা শায়েখ সাজিদুর রহমান, কিশোরগঞ্জ জামিয়া এমদাদিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা শাব্বির আহমদ রশিদ, মাওলানা ড. জহিরুল ইসলাম, মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী, খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা উবায়দুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা শুয়াইব ইব্রাহিম, মুফতি আব্দুল মাজীদ, মুফতি আবু যর, মাওলানা ইলিয়াস কাসেমী এবং মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী।