জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২৫ মে ২০২৬, ১০:৫০ এএম
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান পদে ‘ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত দোসরকে’ নিয়োগ দিয়ে সরকার ‘খাল কেটে কুমির’ আনছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।
একই সঙ্গে তিনি সরকারের এ পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নতুন চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করেছেন।
সোমবার (২৫ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার একের পর এক হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের ব্যাংকব্যবস্থা ও আর্থিক খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
তিনি বলেন, গতকাল ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। জনগণের আস্থায় ফাটল ধরানোর লক্ষ্যেই চেয়ারম্যানকেও পদচ্যুত করা হয়েছে। এতে ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ইসলামী ব্যাংকে যাকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত দোসর। তার মতো একজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া ‘খাল কেটে কুমির আনার’ শামিল।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতের আড়াই লাখ কোটি টাকা লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখা হচ্ছে। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরে পদচ্যুত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সাবেক ডেপুটি গভর্নরকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়ে লুণ্ঠনের পথ আরও প্রশস্ত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘অযোগ্য ও দলদাস’ গভর্নরকে অপসারণ, লুণ্ঠিত অর্থ ফেরত আনা এবং একজন যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড পুনর্গঠন করতে হবে। পাশাপাশি বোর্ডে যোগ্য, মেধাবী, সৎ ও ইসলামী ব্যাংকিংয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।
অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই বহন করতে হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
টিএই/এআরএম