Dhaka Mail Logo

জাতীয়

অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ডিজে পার্টির নামে আর কী কী হতো

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে প্রতি মাসে ২০ থেকে ২২টি ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। ২০২৫ সাল থেকে এসব আয়োজন চলছিল। অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এসব পার্টিতে যোগ দিতেন অংশগ্রহণকারীরা। 

বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির এ তথ্য জানান।

বাসাটিতে ২০২৫ সাল থেকে এসব অপকর্ম চলছিল জানিয়ে তিনি বলেন, তারা সেখানে ডিজে পার্টির আগে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করাতেন। এরপর পার্টিগুলোতে যোগ দিতে পারতেন অংশগ্রহণকারীরা। এজন্য একটি ফিও নেওয়া হতো। 

রাজধানীর তিনশো ফিটে পুলিশ কর্মকর্তার সেই বাড়ি

তিনি জানান, প্রায় দুই বছরের কাছাকাছি সময় ধরে চলছিল সেই ডিজে পার্টির আয়োজন। বাসাটিতে উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে ডিজে পার্টি চলতো। যারা আসতেন তারা গাড়ি নিয়ে আসতেন। ঘটনার দিন বাসাটির নিচে ২২ টি গাড়ি রাখা ছিল। যখন ভেতরে অভিযান চালানো হয় তখন পুরো বাসা ব সিসার ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল। ভবনটিতে পাঁচটি কক্ষ ছিল। 

মঙ্গলবার ফ্ল্যাটটি থেকে ৮৫ জনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদেরকে আদালতে তোলা হলে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করে আদালত। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েয়ের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী ছাড়াও ব্যাংকারও ছিলেন। বাসাটি থেকে পাঁচ বোতল মদ, কুশ ও ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়। 

ডিসি ইলিয়াস কবির বলেন, যারা ওই বাসায় আসতেন তাদেরকে এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলা নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করানো হতো।

রেজিস্ট্রেশন বাবদ জনপ্রতি প্রায় ৬০০ টাকা নেওয়া হতো। এ ঘটনার পর তাদেরকে আদালতে তোলা হলে ছেলেদের এক মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিন কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে মেয়েদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিনদিন কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এমআইকে/এআরএম