Dhaka Mail Logo

জাতীয়

চীনে বাংলাদেশ ও ইকুয়েডরের দুই প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ এএম

বাংলাদেশের সিনোবাংলা ইমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (এসবিআইএন) এবং ইকুয়েডরের করপোরাসিওন অটোগোবিয়ের্নো ই দেমোক্রাসিয়া ফ্রিডরিখ হায়েক (সিএডি) দক্ষিণ এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের শানতুং প্রদেশের ছুফু শহরে ছুফু নরমাল ইউনিভার্সিটি সফরকালে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন সিনোবাংলা ইমপ্যাক্ট নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট আকিব ইরফান এবং সিএডির প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক পরিচালক হুয়ান দিয়েগো ভালদিভিয়েসো রোল্যান্ড।

এসবি‌আই‌এন জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে নীতিগত সংলাপ, যৌথ গবেষণা, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, যুব নেতৃত্বের বিকাশ, প্রযুক্তি ও জ্ঞান হস্তান্তর, শ্রমবাজার গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ও ইকুয়েডরের মধ্যে সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশের পাশাপাশি পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, এসবিআইএন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার সম্ভাব্য অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ে ভূমিকা রাখবে। অন্যদিকে সিএডি ইকুয়েডর ও লাতিন আমেরিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ৯০ দিনের মধ্যে উভয় প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ যোগাযোগ প্রতিনিধি মনোনীত করে একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা সভা আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিনটি প্রাথমিক প্রকল্প চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্ভাব্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া–লাতিন আমেরিকা নীতিগত সংলাপ, প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক তুলনামূলক গবেষণা এবং শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সম্ভাব্য অংশীদার চিহ্নিত করা।

কনফুসিয়াসের জন্মস্থান ছুফুতে আন্তর্জাতিক একাডেমিক কার্যক্রম চলাকালে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। উভয় প্রতিষ্ঠান মনে করে, দক্ষিণ–দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার মধ্যে নতুন প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই সমঝোতা স্মারকটি একটি স্বেচ্ছাবহির্ভূত নয় এবং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয় এমন সহযোগিতা কাঠামো। নির্দিষ্ট প্রকল্প, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পৃথক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এসএইচ/এএম