নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদিত ব্রোকারেজ হাউজ ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও এমডিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় গ্রাহকের প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূর চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক মুহিবুল বারী রহমান, পরিচালক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, উপমহাব্যবস্থাপক এহতেশামুল হক, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মনসুরুজ্জামান, রুমেল মোহাম্মদ সাইফুল রহমান পীর, আবু মুহাম্মদ আনোয়ারুল আম্বিয়ক চৌধুরী, আব্দুর রাকিব শিকদার ও পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
দুদক সূত্রে জানা যায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে শেয়ার কেনার নামে জমা নেওয়া অর্থ যথাযথভাবে শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়নি। বরং গ্রাহকদের পোর্টফোলিওতে থাকা অর্থ অনুমোদন ছাড়া স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। গ্রাহকদের শেয়ার কেনার জন্য জমা করা ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ৪৮০ টাকা টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। যা, ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের মতিঝিল শাখাসহ বিভিন্ন শাখায় জমা ছিল।
এ ছাড়াও, অর্থ স্থানান্তরের সময় জাল স্বাক্ষর ও জাল দলিল ব্যবহার এবং হিসাব নথিপত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদর্শনের অভিযোগও আনা হয়েছে। গত ৩০ জুন তারিখের শেয়ারমূল্য বিবেচনায় নিয়ে আত্মসাতের অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
এদিকে দুদকের নথি বলছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে গ্রাহকদের অর্থ অনুমোদন ছাড়া স্থানান্তর করা হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ১৭ জুলাই পরিচালিত তদন্তেও ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের মতিঝিল শাখায় এ ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে।
একেএস/এএম