আব্দুল হাকিম
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
দেশে আগামী ২০২৬-২৭ বিপণন বছরে বোরো, আউশ ও আমন মিলিয়ে চাল উৎপাদন কমতে পারে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্যের ভিত্তিতে করা হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে তিন মৌসুমে মোট চাল উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। আগামী বিপণন বছরে এই উৎপাদন কমে ৩ কোটি ৬৯ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে চাল উৎপাদন কমতে পারে ৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
একই সঙ্গে কমতে পারে ধানের মোট আবাদি এলাকাও। ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে বোরো, আউশ ও আমন মিলিয়ে ধানের আবাদি এলাকা ছিল ১ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর। আগামী বিপণন বছরে তা কমে ১ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ আবাদি এলাকা কমার পূর্বাভাস রয়েছে ১ লাখ হেক্টর।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগামী বিপণন বছরে তিন মৌসুমের কোনোটি থেকেই উৎপাদন বাড়ার পূর্বাভাস নেই। বোরো ও আমনে আবাদি এলাকা অপরিবর্তিত থাকার পরও উৎপাদন কমতে পারে। অন্যদিকে আউশে আবাদি এলাকা ও উৎপাদন দুটিই কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
দেশের প্রধান ধান উৎপাদন মৌসুম বোরোতে আগামী বছর উৎপাদন কমতে পারে। ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ বিপণন বছর, দুই বছরেই বোরোর আবাদি এলাকা ছিল ৪৯ লাখ হেক্টর। দুই বছরেই উৎপাদন হয়েছে ২ কোটি ৫ লাখ মেট্রিক টন। তবে ২০২৬-২৭ বিপণন বছরে একই পরিমাণ জমিতে বোরোর উৎপাদন কমে ২ কোটি ৩ লাখ মেট্রিক টনে নামতে পারে। অর্থাৎ বোরোর আবাদি এলাকা অপরিবর্তিত থাকলেও উৎপাদন কমার পূর্বাভাস রয়েছে ২ লাখ মেট্রিক টন। শতাংশের হিসাবে হ্রাস পাবে প্রায় ১ শতাংশ।
আউশ মৌসুমে পরিস্থিতি আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে আউশের আবাদি এলাকা ছিল ১০ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর এবং উৎপাদন হয়েছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। আগামী বিপণন বছরে আবাদি এলাকা কমে ৯ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে নামতে পারে। অর্থাৎ এক বছরে আবাদি এলাকা কমার পূর্বাভাস রয়েছে ১ লাখ হেক্টর। একই সময়ে আউশের উৎপাদন কমে ২১ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়াতে পারে। এতে এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন কমতে পারে ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রায় ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।
এর আগে ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে আউশের আবাদি এলাকা ছিল ৯ লাখ হেক্টর এবং উৎপাদন ছিল ২১ লাখ মেট্রিক টন। পরের বছর আবাদি এলাকা বেড়ে ১০ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর এবং উৎপাদন বেড়ে ২৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে আমনের আবাদি এলাকা ছিল ৫৮ লাখ হেক্টর। ২০২৬-২৭ বিপণন বছরেও একই পরিমাণ জমিতে আমন আবাদ হতে পারে।
তবে ৫৮ লাখ হেক্টর জমিতে উৎপাদন কমে ১ কোটি ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়াতে পারে। ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে আমনের উৎপাদন ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ মেট্রিক টন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন কমার পূর্বাভাস রয়েছে ৩ লাখ মেট্রিক টন। শতাংশের হিসাবে এ হ্রাস প্রায় ২ শতাংশ। ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে বোরো, আউশ ও আমন মিলিয়ে ধানের আবাদি এলাকা ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ হেক্টর। একই বছর তিন মৌসুমে মোট উৎপাদন হয়েছিল ৩ কোটি ৬৬ লাখ মেট্রিক টন।
২০২৫-২৬ বিপণন বছরে আবাদি এলাকা বেড়ে ১ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে দাঁড়ায়। একই সময়ে উৎপাদন বেড়ে হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ এক বছরে আবাদি এলাকা বেড়েছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর এবং উৎপাদন বেড়েছিল ১০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু ২০২৬-২৭ বিপণন বছরের পূর্বাভাসে আবাদি এলাকা কমে ১ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে এবং উৎপাদন কমে ৩ কোটি ৬৯ লাখ মেট্রিক টনে নামতে পারে। ফলে ২০২৫-২৬ সালের তুলনায় আবাদি এলাকা কমতে পারে ১ লাখ হেক্টর এবং উৎপাদন কমতে পারে ৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
তবে ২০২৪-২৫ সালের তুলনায় আগামী বিপণন বছরে উৎপাদন কিছুটা বেশি থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে তিন মৌসুমে মোট চাল উৎপাদন হয়েছিল ৩ কোটি ৬৬ লাখ মেট্রিক টন। সেই হিসাবে ২০২৬-২৭ বিপণন বছরে সম্ভাব্য উৎপাদন ৩ লাখ মেট্রিক টন বেশি। একইভাবে ২০২৪-২৫ সালের তুলনায় আবাদি এলাকাও ২ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর বেশি থাকতে পারে।
তিন মৌসুমের মধ্যে বোরো থেকেই আগামী বিপণন বছরে প্রায় ৫৫ শতাংশ চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে। মোট ৩ কোটি ৬৯ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদনের মধ্যে বোরো থেকে আসতে পারে ২ কোটি ৩ লাখ মেট্রিক টন। আমন থেকে ১ কোটি ৪৫ লাখ এবং আউশ থেকে ২১ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ বিপণন বছরে বোরোর আবাদি এলাকা ৪৯ লাখ হেক্টর ও উৎপাদন ২ কোটি ৩ লাখ মেট্রিক টন, আউশের আবাদি এলাকা ৯ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর ও উৎপাদন ২১ লাখ মেট্রিক টন এবং আমনের আবাদি এলাকা ৫৮ লাখ হেক্টর ও উৎপাদন ১ কোটি ৪৫ লাখ মেট্রিক টন হতে পারে। তিন মৌসুমে আবাদি এলাকা দাঁড়াতে পারে ১ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর এবং উৎপাদন হতে পারে ৩ কোটি ৬৯ লাখ মেট্রিক টন।
এদিকে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সতর্ক করে বলেছে, ২০২৬-২৭ মৌসুমে বৈশ্বিক চাল উৎপাদন কমতে পারে। সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা, উৎপাদক পর্যায়ে ধানের দাম কমে যাওয়া এবং উৎপাদন উপকরণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের মুনাফা কমে যাওয়াকে এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। এ কারণে আগামী মৌসুমে বিশ্বে চাল উৎপাদন আগের মৌসুমের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমতে পারে। উৎপাদন কমার বড় অংশ এশিয়ায় হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
এফএওর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৪ কোটি ১৫ লাখ টন চাল উৎপাদন হতে পারে। তবে এ অর্থবছরের চূড়ান্ত উৎপাদনের হিসাব এখনো প্রকাশিত হয়নি। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে চালের উৎপাদন কমে ৪ কোটি ১৩ লাখ টনে নামতে পারে। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের তুলনায় উৎপাদন প্রায় ২ লাখ টন বা দশমিক ৫ শতাংশ কম হতে পারে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম ঢাকা মেইলকে বলেন, দেশে এখন আমন মৌসুম চলছে। নির্দিষ্ট সময় পরপর বৃষ্টিপাত হওয়ায় আমন ধানের জমিতে সেচের প্রয়োজন তুলনামূলক কম হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে আমন ধান ভালো অবস্থায় রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এবার আমনে বাম্পার উৎপাদন হবে।
এই কৃষিবিদ বলেন, আগামী বোরো মৌসুমে ৫০ লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে ধান আবাদ হবে। ওই মৌসুম এখনো সামনে থাকায় সেখানে উৎপাদনে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি ও গ্যাসের সংকট থাকলেও বর্তমানে ধান উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। এবার আমন থেকে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। বোরো মৌসুমে প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ মেট্রিক টন এবং আউশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়। সব মিলিয়ে দেশে চালের উৎপাদন প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিক টনের কাছাকাছি। গম, ভুট্টাসহ অন্যান্য দানাদার খাদ্যশস্য ধরলে মোট উৎপাদন প্রায় ৫ কোটি মেট্রিক টনে দাঁড়ায়।
কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম ঢাকা মেইলকে বলেন, জ্বালানি ও তেলের ওপর কৃষি অনেকটাই নির্ভরশীল। দেশে বর্তমানে জ্বালানি ও সারসংকটসহ নানা সমস্যা রয়েছে। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় কারণেই এসব সংকট তৈরি হয়েছে। বোরো মৌসুম শুরুর আগেই সেচ নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বোরো মৌসুমে দেশের বেশির ভাগ এলাকায় সেচের প্রয়োজন হয়। এর সঙ্গে সারসংকটও রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে আগামী মৌসুমে কৃষি উৎপাদন কিছুটা কমতে পারে।
তিনি বলেন, সামনে শুষ্ক মৌসুম আসছে। এ সময়ে শাকসবজি উৎপাদনেও প্রচুর সেচের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে বোরো মৌসুমের উৎপাদন অনেকটাই সেচনির্ভর। সেচের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। বর্তমানে সেচের ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ এবং বাকি ৫০ শতাংশ জ্বালানি তেলের মাধ্যমে পরিচালিত টিউবওয়েলের ওপর নির্ভরশীল। জ্বালানি সরবরাহের সংকট অব্যাহত থাকলে সেচব্যবস্থা ও কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এতে বোরোসহ পরবর্তী মৌসুমের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে।
ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের সমাধান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। সৌরশক্তিচালিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সেচব্যবস্থা পরিচালনা করা গেলে ভবিষ্যতে কৃষিতে জ্বালানি সংকটের চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব। কৃষিতে ব্যবহারযোগ্য বিকল্প ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর এখনই গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর এএসএম গোলাম হাফিজ কেনেডি ঢাকা মেইলকে বলেন, কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে সেচের ক্ষেত্রে ডিজেলের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কৃষির যান্ত্রিকীকরণের কারণে জমি প্রস্তুত, চাষাবাদ ও ফসল মাড়াইয়ের মতো কাজেও ডিজেলচালিত যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এই কৃষি অর্থনীতিবিদ বলেন, কৃষির সঙ্গে জ্বালানির সম্পর্ক শুধু সেচের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সার উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রেও জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। গ্যাস সংকটের কারণে দেশের সার কারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হলে সরকারকে প্রয়োজনীয় সার আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে সারের দাম যেন কৃষকের নাগালের বাইরে চলে না যায়, সে বিষয়েও সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রফেসর কেনেডি বলেন, কৃষি উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে কী কারণে উৎপাদন বাড়বে বা কমবে, তার পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন। আবহাওয়া, বন্যা, খরা, রোগবালাইসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদনের পূর্বাভাস দিতে হয়। শুধু একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ উৎপাদন কমে যাওয়ার কথা বললেই হবে না, এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করতে হবে। বিশেষ করে আমন মৌসুমের ফসল এখনো মাঠে থাকায় পরবর্তী সময়ে আলু, সরিষাসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদনও সামগ্রিক কৃষি উৎপাদনের হিসাবকে প্রভাবিত করবে।
তিনি আরও বলেন, কৃষির বিভিন্ন পর্যায়ে যান্ত্রিকীকরণ বাড়ছে। পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে মাড়াই পর্যন্ত বিভিন্ন কাজে এখন যন্ত্র ব্যবহার হচ্ছে। অনেক এলাকায় ফসল মাড়াইয়ের কাজেও ডিজেলচালিত যন্ত্রের ব্যবহার বেশি। তাই কৃষিতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। সরকার জ্বালানি ও সার সংকট মোকাবিলায় যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে পারলে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব এড়ানো সম্ভব হবে।
এএইচ/এআর