নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছেন তিনি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইয়াও ওয়েন বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানো সম্ভব।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতার কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। দুই দলের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ককে বাংলাদেশ গুরুত্ব দেয়। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন ও জ্ঞান বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও গভীর করা সম্ভব।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীন সফরের ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতে বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জনপ্রশাসন উপদেষ্টা। এ সময় চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ/এআরএম