নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ এএম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে বাড়ি বাড়ি অভিযান। এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে ২৪টি দলে ভাগ হয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কর্মী মাঠে কাজ করবেন।
জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম উদ্বোধনের পরই এ কর্মসূচি শুরু হবে।
ডিএনসিসি জানিয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি তথ্য স্টল স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশা দমন এবং নাগরিকদের করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও সচেতনতামূলক উপকরণ প্রদর্শন করা হবে।
এদিকে জাতীয় কর্মসূচিকে ঘিরে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অঞ্চল-৫, বিশেষ করে সংসদ ভবন ও আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ সোর্স রিডাকশন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং লার্ভানিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
ডিএনসিসি জানায়, এ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে নির্ধারিত সংখ্যক সুপারভাইজার ও মশককর্মীকে সাময়িকভাবে অঞ্চল-৫-এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া কর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাবেন।
এ ছাড়া অঞ্চল-১, ৬, ৭, ৮ ও ৯-সহ ডিএনসিসির অন্যান্য এলাকাতেও সমন্বিতভাবে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এসব এলাকায় চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল এবং আগের হটস্পটগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অভিযান চালানো হবে।
ডিএনসিসির ভাষ্য, এবারের কার্যক্রমে শুধু মশক নিধনের ওপর নয়, বরং এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত, উৎস ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লার্ভিসাইড প্রয়োগের মাধ্যমে সোর্স রিডাকশনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কর্মসূচির সার্বিক তদারকি ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। মাঠপর্যায়ে জনবল মোতায়েন, কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং চিহ্নিত প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়টি নিয়মিত মনিটর করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এমআই