Dhaka Mail Logo

জাতীয়

‘পর্যটন খাতকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি করতে কাজ করছে সরকার’ 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

০৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৩ এএম

পর্যটন খাতকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। রোববার (২ আগষ্ট) রাতে গুলশান ক্লাবে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশে একটি টেকসই, আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন খাত গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দেশের ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা দেশের পর্যটন উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আরও জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে পরিণত করার পরিকল্পনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল ও মোটেলসমূহে তাদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় প্রদানের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

পর্যটন খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যটন খাত থেকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পর্যটন খাতে বিদ্যমান তথ্যের ঘাটতি দূর করতে দেশব্যাপী ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট (TSA) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি এ কাজে টিওএবিসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউছার চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, বাংলাদেশে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. নিনা পি. কাইংলেট, বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার এইচ.ই. ধর্মপালা ওয়েরাক্কোডি, বাংলাদেশে ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার এইচ.ই. হাজী হারিস বিন হাজী ওসমান, নেপাল ও পাকিস্তান দূতাবাসের প্রতিনিধিবৃন্দ, টিওএবি নেতৃবৃন্দ। 

এমআইকে/এআরএম