জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০১ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
আগামী সপ্তাহের শেষদিকে ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মাহদী আমিন বলেন, সামনের দিনগুলোতে মার্কিন বিনিয়োগ যেন বাড়ে তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় প্রায় ২৫টি শিল্প এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৪৫ জন ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ বা প্রথম সারির কর্মকর্তা বাংলাদেশে আসবেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন এবং বিভিন্ন দফতরে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন উনাদের সঙ্গে তারা ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সাক্ষাতের বিষয়বস্তু তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থীতিশীলতা ফেরত এসেছে। একটি সুন্দর গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বহমান রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে পলিসিগুলো একীভূত করেছেন সেগুলোকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে বহুমাত্রিক এবং বহুপাক্ষিক সুসম্পর্ক রয়েছে; সেই সম্পর্কটাকে একটা ডিপ অ্যান্ড ইকোনমিক টাইজের মাধ্যমে কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়; কীভাবে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, বাণিজ্য বাড়ানো যায়, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে এবং বাংলাদেশ সরকারের দিক থেকে কীভাবে পলিসি সাপোর্ট প্রোভাইড করা যায় এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া এক্সপোর্ট এবং ইমপোর্ট কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেগুলো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে সেটি একটি ভিন্ন মাত্রায় যাবে এবং তার ওপর ভিত্তি করে আমরা আরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্রেড এবং ইনভেস্টমেন্ট এখানে অ্যাট্রাক্ট করব। বাংলাদেশে ইনশাল্লাহ আরও বেশি এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট হবে। আমাদের যে মাল্টি ফ্যাসিলিটেড অ্যাটাচমেন্ট রয়েছে, যে অপরচুনিটি রয়েছে, একটা পার্টনারশিপের মাধ্যমে এটাকে ইনশাল্লাহ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, গণতান্ত্রিক এই যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র একটি বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে যেভাবে ছিল বাংলাদেশের সঙ্গে সেভাবেই পাশে থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি যে আস্থা তারা প্রদর্শন করেছেন; যে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন সেজন্য আমরা সাধুবাদ জানাই।
বিইউ/এফএ