Dhaka Mail Logo

জাতীয়

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ দ্বিতীয় মৌসুমের নিবন্ধন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুন ২০২৬, ০১:০৭ এএম

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া বিস্তারের লক্ষ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় মৌসুমের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। 

শুক্রবার (২৬  জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলে আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু হবে এ প্রতিযোগিতার মূল আয়োজন। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রা ও মাদকের ঝুঁকি থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে সরকার জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ও মাঠের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে অনেক শিশু-কিশোর অতিরিক্ত ডিভাইস ব্যবহারের কারণে ঘরবন্দি হয়ে পড়ছে। একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনের লক্ষ্যে তাদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।’

মো. আমিনুল হক জানান, প্রথম পর্যায়ের ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর জাতীয় পর্বের খেলা আগামী জুলাইয়ের মধ্যভাগে শেষ হবে। এরপর দ্বিতীয় মৌসুমে দেশের সাড়ে চার হাজারের বেশি ইউনিয়নে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ব্যাডমিন্টন, দাবা ও মার্শাল আর্টে হাজারো দল গঠন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী জুলাইয়ের পর আরও ২০০ জন খেলোয়াড়কে পেশাদার ক্রীড়া সহায়তার আওতায় আনা হবে। এতে মোট প্রায় ৫০০ জন খেলোয়াড় নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও একটি সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় আরও জোরদার করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের ছয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১৪টি ইভেন্টে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। এছাড়া ক্রীড়াঙ্গনে অবদানের জন্য অধ্যাপক ওবায়দুল স্যারকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

এমআর/এমআই