নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ মে ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
ইরাকে মিসাইল হামলায় নিহত বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ গ্রহণ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শ্রাবনের মরদেহ গ্রহণ করেন তিনি।
এর আগে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে মরদেহ বহনকারী তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করলে সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সম্মানের সাথে তা গ্রহণ করা হয়।
জানা গেছে, নিহত মোহাম্মদ শ্রাবন (পাসপোর্ট নং-ইজে ০৮২০৩২৭) মুন্সিগঞ্জ জেলার মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ নলি মিয়ার সন্তান। তিনি ১০ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে ইরাকের বাগদাদে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল-মার্কিন যুদ্ধকালীন সময়ে বাগদাদে নিক্ষিপ্ত একটি মিসাইলের আঘাতে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ইরাকের বাগদাদ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারি প্রক্রিয়ায় তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
গত ২৭ মে ২০২৬ সকাল ১০ টা ২৫ মিনিটে বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে মরদেহটি প্রেরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: যানজটহীন রাজধানীতে কেউ খুশি কেউ হতাশ
এরপর তুরস্কে ২৯ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে পুনরায় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এটি এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ মৃতের পিতা, স্ত্রী ও কন্যার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ সময় লাশ পরিবহন ও দাফন-কাফন বাবদ ৩৫ হাজার টাকা, বিশেষ অনুদান ৫০ হাজার টাকাসহ প্রাপ্য অন্যান্য আর্থিক সহায়তা মৃতের স্বজনদের হাতে তুলে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আহে ২৫মে বাগদাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) পারভেজ আলম চৌধুরী দাফতরিক পত্রের মাধ্যমে মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই রেমিট্যান্স যোদ্ধার অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এসএইচ/এআরএম