images

জাতীয়

এনআইডিতে নামের আগে ‘অ্যাডভোকেট’ চান হুইপ দুলু, ইসির ‘না’

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ মে ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

জাতীয় সংসদের হুইপ এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজ নামের আগে ‘অ্যাডভোকেট’ চেয়ে সংশোধন আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তা না-মঞ্জুর করে। এরপরও তিনি দ্বিতীয় দফায় তা পুনর্বিবেচনার ফের আবেদন করেন। 

ইসি সূত্র ঢাকা মেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

ইসি সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদের হুইপ এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজ নামের ‘অ্যাডভোকেট’ যুক্ত করতে চেয়ে নাম সংশোধনের আবেদন করেছিলেন। পরবর্তীতে অর্জিত পদবি নামের আগে যুক্ত করার বিধান না থাকায় কমিশনের কাছে ফাইল উপস্থাপন করা হয় এবং কমিশন তা না-মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে তিনি আবারও পুনর্বিবেচনার কমিশনে আবেদন করেন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কমিশনের।

সূত্র আরও জানায়, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আইন অনুযায়ী নামের আগে অর্জিত কোনো পদবি যুক্ত করা যাবে না। তবে বিচারপতিদের ক্ষেত্রে ভিন্ন কারণ এক্ষেত্রে আদালতের আদেশ রয়েছে। এজন্য শুধু বিচারপতিরা নামের আগে বিচারপতি পদবি যুক্ত করতে পারবেন।

সবশেষে জারি করা জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) বলা হয়েছে, নামের আগে কোনো উপাধী বা পদবি যুক্ত করা যাবে না।

এতে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা আইন-২০০৯-এর ধারা-৩-এর দফা (কক) এ বর্ণিত ‘নাম’ এর অর্থ অনুসারে এবং জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০১০-এর ধারা-৫ অনুসারে নামের প্রারম্ভে ‘ড.’, ‘প্রফেসর’, ‘হাজি’, ‘আলহাজ’, ‘অ্যাডভোকেট’ প্রভৃতিসহ অন্য কোনো পদবি বা উপাধি যুক্ত করে নাম সংশোধন করার সুযোগ নেই। 

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রে সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ প্রধান বিচারপতির নামের পূর্বে ‘প্রধান বিচারপতি’ ও বিজ্ঞ বিচারকগণের নামের পূর্বে ‘বিচারপতি’ সংযোজনের বিষয়ে করা এক রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডিভিশন থেকে প্রদত্ত রায়ের নির্দেশনা অনুসারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ বিচারকদের ক্ষেত্রে নামের পূর্বে ‘প্রধান বিচারপতি’ বা ক্ষেত্রমত ‘বিচারপতি’ পদবি যুক্ত করার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভোটার তালিকা আইন ও বিধিমালা অনুসারে নামের পূর্বে অর্জিত উপাধি বা পদবি সংযুক্ত করার কোনো বিধান নেই।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার জাতীয় সংসদের হুইপ এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু’র মুঠোফোনে মাধ্যমে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও, যোগাযোগ সম্ভব না হওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এমএইচএইচ/এমআই