images

জাতীয়

আজও বিচার পায়নি নিহত-আহতদের পরিবারগুলো

মোস্তফা ইমরুল কায়েস

০৫ মে ২০২৬, ১০:৪৩ এএম

বিজিবি সদর দফতর থেকে ট্রাকে করে লাশ গুমের অভিযোগ
লাশের খুলি হাড় মিলেছিল সাতক্ষীরা ও ডেমরার ময়লার ভাগাড়ে
শাপলা চত্বরে শত শত মানুষ মরে আহত হয়ে পড়ে ছিল: প্রত্যক্ষদর্শী
হেফাজতের হিসেবে ৯৬ জন নিহত, আহত হয় তিন হাজারের মতো
ভয়ে অধিকাংশ পরিবারের মোবাইল নম্বর বন্ধ
বিয়ের ছয় মাসের মাথায় বিধবা হন নোমানের স্ত্রী
ছেলে নিহত হওয়ায় এলাকা ছাড়ে পরিবারটি
বাবা নিহত হওয়ায় কলেজ ছাড়া হন মেয়ে

আজ ৫ মে শাপলাচত্বর গণহত্যার ১৩ বছর। এই তারিখেই গণহত্যা চালানো হয়েছিল মতিঝিলের শাপলা চত্বরে। যদিও তখন এই ঘটনাকে গণহত্যা বলে প্রচার করেনি তৎকালীন প্রচারমাধ্যম। সরকারেরও বাধা ছিল এবং গণমাধ্যমগুলোরও এক চেটিয়া সিন্ডিকেট আচরণে সেদিন ঢাকা পড়ে আলোচিত এ ঘটনা। 

সেদিন যারা নিহত হয়েছিলেন তাদের পরিবারগুলো আজও বিচার পায়নি। আর আহত ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর এখনো সেই ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। সেই ঘটনায় ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে কিন্তু এখনো মামলার রায় ঘোষণা হয়নি। যদিও সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, এ ঘটনায় তারা সেই সময়ের রাষ্ট্রপ্রধান ফ্যাস্টিস্ট হাসিনাসহ ৩২ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে। তবে তাদের বিচার কতদিনে হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দেখে যেতে পারবেন কিনা তাও সন্দেহ অনেকে। 

বিচার চান ভুক্তভোগী পরিবারগুলো

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে পুলিশের গুলিতে নিহত যশোর সদরের খড়কি গ্রামের মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু। অন্যদের সঙ্গে তিনি সেদিন ঢাকায় এসেছিলেন। কিন্তু সেদিন বিকেলে বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকার পুলিশের গুড়িতে আহত হন নান্নু। এরপর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে  রাজধানীর একটি হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন থাকার পার নান্নু না ফেরার দেশে চলে যান। 

গল্পটা এখানেই শেষ নয়, তার চলে যাওয়ার পর টানা ১২ বছর পরিবারটির ওপর চালানো হয় অবর্ণনীয় নির্যাতন। যশোরের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাাদার ও আওয়ামী লীগের লোকজনের অত্যাচারে এক প্রকার এলাকা ছাড়া হয়ে পড়ে তার পরিবারের সদস্যরা। বাবা হেফাজতের সমাবেশে গিয়ে মারা গিয়েছেন এই কারণে মেয়েকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।  

1

সুমাইয়া বললেন, আমাদের একটি সাজানো গোছানো সংসার তছনছ করে দেওয়ার পেছনে যারা জড়িত। মতিঝিলের ঘটনার যারা তার বাবাকে গুলি চালিয়েছে সেই পুলিশ সদস্য এবং যশোরের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি চান তিনি। 

ছেলের মৃত্যুর পর জমি বিক্রি করে এলাকা ছাড়ে পরিবারটি 

২০১৩ সালের ৬ মে। তার আগের দিন ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হামলা চালিয়ে তাদের কর্মীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় তৎকালীন পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি। সেদিন রাতের আধারে প্রাণের ভয়ে অনেকে পালিয়ে আশ্রয় নেন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়। কিছু আলেম-ওলামা পালিয়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মাদানীনগর মাদ্রাসায় আশ্রয় নেন। এ খবর জানতে পেরে পুরো মাদ্রাসা ঘিরে ফেলে র‌্যাব-পুলিশ ও বিজিবি।

এরপর তারা এলাকাবাসীর সঙ্গে ঝামেলায় জড়ালে এলোপাতারি গুলি শুরু করে। সেই গুলিতে নিহত হন মাদ্রাসা ছাত্র ১৮ বছরের যুবক খালিদ সাইফুল্লাহ। খালিদ সাইফুল্লাহ সবেমাত্র তখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। পরে তার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, পরীক্ষায় ভালো জিপিএ পেয়েছিলেন। পরে খালিদের মৃত্যুর কারণে তার পরিবারকে এলাকা ছাড়া হতে হয়েছে। শেষমেষ তিনি জমি বাড়ি বিক্রি করে নারায়ণগঞ্জে চলে যান। গত ৫ আগস্টের পর এখন সেই পরিবারটি সেখানেই থাকেন।

খালিদ সাইফুল্লাহর মৃত্যুর দিনের ঘটনা তুলে ধরে তার বড় ভাই নাজমুল আলম ঢাকা মেইলকে বলেন, পুলিশ আমার ভাইটার লাশ ভালো করে দাফনও করতে দেয়নি। এ ঘটনার পর নানাভাবে আমার বাবাকে পুলিশ হয়রানি করেছে। তিনি জামায়াত ইসলামীর সমর্থক হওয়ার কারণে প্রতি রাতেই তাকে বাইরে কাটাতে হতো।  তিনি বলেন, আমার ভাইকে পুলিশ বিনা অপরাধে গুলি করে হত্যা করেছে। সেই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিয়ের ছয় মাসের মাথায় বিধবা হন নোমানের স্ত্রী

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নোমান। নিহত হওয়ার ছয় মাস আগে বিয়ে করেন। তার তিন মাস আগে নতুন বৌকে নিয়ে চলে যান  হাটহাজারী মাদ্রাসায়। সেখানে তিনি শিক্ষকতা করতেন। ৫ মে শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালানো হলে পরদিন হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিক্ষোভ করেন মাদ্রাসা ছাত্র ও শিক্ষকরা। কিন্তু সেখানে পুলিশ গিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায়। গুলিতে কয়েকজন নিহত হন। তাদের মধ্যে ছিলেন নোমানও। তার মৃত্যুর পর সেই নববিবাহিতা আর বিয়ে করেনি। এখনো স্বামী স্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছেন তিনি।

নিহত নোমানের বোন উম্মে কুলসুম ঢাকা মেইলকে বলছিলেন, আমার ভাইয়ের বিয়ের মাত্র ছয় মাস হয়েছিল। সেদিন হাটহাজারী মাদ্রাসায় পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। আমার ভাইয়ের কানের ওপর দিয়ে লেগে সেই গুলি অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে গেছিল। তার মৃত্যুর তিন দিন পর আমার ভাইকে গ্রামে এনে দাফন করি আমরা।আমার ভাইয়ের সেই নববিবাহিত স্ত্রী আজো বিয়ে করেননি। তবে পরিবারটি গ্রামে থাকায় ঝামেলা হবে ভয়ে সেই সময় মামলায় যাননি। 

তিনি বলেন, আমার ভাই কি অপরাধ করছিল, সেতো কোন অপরাধ করেনি। তাহলে তাকে এভাবে কেন গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো? আমরা এই হত্যার বিচার চাই।  

2

সেইদিনের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী ও সেই সময়ের হেফাজতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর প্রচার সম্পাদক ফখরুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, সেদিন শাপলা চত্বরে বিজিবি, পুলিশ ও র‌্যাব এক যোগে গণহত্যা চালিয়েছিল। তাতে অন্তত কয়েক শত মানুষ পড়ে ছিল। সবার আমরা তালিকা করতে পারিনি।  বেশির পরিবারের নম্বর পুলিশের ভয়ে বন্ধ ছিল। 

তবুও আমরা ৬৫ জনের মতো তালিকা করেছিলাম যারা ছিল সকলে মৃত। আর আহত হয়েছিল তিন হাজারের ওপরে। শুধু কি তাই, আমরা আহত নিহত হলেও কেউ মামলা করতে পারিনি। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে তবে কবে রায় হবে আমরা কেউ জানি না। আমরা এই গণহত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও জড়িতের বিচার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। আর যেনো কোন শাসক এভাবে কখনো কোন নিরপরাধ মানুষের ওপর গণহত্যা চালাতে না পারে। 

নিহত পরিবারগুলোর অধিকাংশের ফোন নম্বর বন্ধ

গত বছর হেফাজতে ইসলামীর পক্ষ থেকে শাপলা চত্বরে নিহতের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। তাতে তারা ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে দাবি করেন। কিন্তু সেই তালিকা ধরে ধরে প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছে ঢাকা মেইল। তার মধ্যে হাতে গোনা পরিবারের ফোন নম্বর খোলা। বাকিদের ফোন বন্ধ রয়েছে। 

সোমবার বিকেলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নিহত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নোমানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তারা প্রথম দিকে কথাও বলেন। কিন্তু পরে যখন জানতে পারেন বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রচার করা হবে পরে আর তারা তথ্য দিয়ে সহায়তা করেননি। এমন একাধিক পরিবার এমন আচরণ করেছেন। পরে জানা গেছে, পরিবারগুলোর মধ্যে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

এখনো তারা মনে করেন গণমাধ্যমের নাম পরিচয় ব্যবহার করে হয়তো কেউ তাদের ক্ষতি করার জন্য তাদেরকে কল করেন। ফলে তারা এখন গণমাধ্যমে কথা বলতেও ভয় পান। পরিবারগুলোর অভিযোগ, তারা বিগত সময়ে কথা বলতে গিয়ে নানাভাবে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ফলে নতুন করে কথা বলে কোন ঝামেলায় জড়াতে চান না। 

বিজিবি সদর দপ্তর থেকে তিনটি ট্রাকে করে লাশ গুমের অভিযোগ

সেই সময়ে হেফাজতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক ফখরুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, ঘটনার পরদিন আমি কামরাঙ্গীরচর মাদ্রাসায় বসে আছি। এমন সময় একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল আসে এবং আমাকে জানানো হয়, ৫ মে রাতে শাপলা চত্ত্বরে যারা নিহত হয়েছিল তাদের লাশ বিজিবির পিলখানার আনা হয়েছে। সেই লাশগুলো সেখানে তিনটি ট্রাকে রাখা হয়েছে। আমরা যেনো দ্রুত সেখানে যাই। না হলে লাশগুলো গুম করা হবে। এমন সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত বিজিবির প্রধান দফতরের গেটে যাই। এরপর আমরা বিভিন্নভাবে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করেছি কিন্তু বিজিবি সদস্যরা আমাদের ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। পরদিন আমরা জানতে পারি লাশগুলো মিরপুরের বেধিবাঁদ হয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু পরে সেগুলো কোথায় ফেলা হয়েছিল তা জানা যায়নি। 

তিনি আরও বলেন, এরপর কয়েক দিন পর রাজধানীর ডেমরার ময়লার ভাগাড় এবং সাতক্ষীরার নদীতে মাথার খুলি ও লাশ পড়ে থাকতে দেখেছিল লোকজন। যা পরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানি ও নজরদারীর কারণে সেই বিষয়গুলো যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 

সেই রাতে শাপলা চত্ত্বরে রাতভর অবস্থানকারী হেফাজতের কর্মী হোসাইন আকন্দ। তিনি ঢাকা মেইলকে জানান, তিনি সেদিন গুলিস্তানে আহত হয়েছিলেন। পরে তাকে সেই অবস্থায় শাপলা চত্ত্বরের মঞ্চে নিলে তিনি সেখানেই রাতভর ছিলেন। ভোরের দিকে যখন পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব গণহত্যার অভিযান শেষ করে তখন তিনি দেখতে পান সিটি করপোরেশনের গাড়িতে লাশগুলো ট্রাকে তোলা হচ্ছে। এরপর সেই লাশগুলো কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা জানতে পারেননি। 

কেউ পরিবারগুলোর খোঁজ খবর নেয়নি

সোমবার কথা হচ্ছিলো খাগড়াছড়ির নিহত মাওলানা আমিরুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমার সঙ্গে। তিনি বলছিলেন, কেউ তো খোঁজ খবর নিলো না। আজ কেন ফোন করেছেন। সেই ঘটনার সময় তার দুই মেয়ে ও ছেলে ছোট ছোট থাকলেও কোন সাহায্য সহযোগিতা পাননি। কষ্ট করেই সেই থেকে চলছেন। শুধু ফাতেমা নন, তার মতো যারা স্বামী বা বাবা হারা হয়েছেন তারা কেউই কোন সাহায্য পাননি। সাহায্য তো দূরের কথা থানায় মামলা পর্যন্ত করতে পারেননি তারা। 

গত ১৩ বছরে হেফাজতের ইসলামীর পক্ষ থেকেও নিহত ও আহত পরিবারগুলার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করা হয়নি। অধিকাংশ পরিবার জানিয়েছে, তারা তাদের বিপদে কাউকেই পাশে পাননি। 

১৩ বছর পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যা জানালো 

২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে ৫৭ জনের হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের তিনটি স্থানে হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকায় দিনের বেলা ও রাতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পরদিন নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

সে সময় ঢাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে ২০ জন এবং চট্টগ্রামে ৫ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে সন্ধান পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

এ মামলার তদন্তকাজ শিগগিরই শেষ হবে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য আছে।

আলোচিত এই গণহত্যার আসামী যারা- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক (টুকু) মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, হাসান মাহমুদ খন্দকার ও বেনজীর আহমেদ, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এমআইকে/ এআরএম