জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
আসন্ন পহেলা বৈশাখে কোনো হামলার আশঙ্কা বা কোনো ধরনের হুমকি নেই জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সারোয়ার বলেছেন, ‘যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর রমনার বটমূলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রমনা পার্ক ও আশপাশের এলাকায় মুখোশ, ব্যাগ, ধারালো বস্তু এবং দাহ্য পদার্থ বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ফানুস, আতশবাজি ও শব্দদূষণ সৃষ্টি করে- এমন বাঁশি ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এসময় তিনি সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো সন্দেহজনক কিছু দেখলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।
পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল মানুষের সমাগম হবে। তাই সবার নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পুরো ঢাকাকে নয়টি সেক্টর ও ১৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, ‘প্রতিটি এলাকায় ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল টিম দিয়ে আগাম তল্লাশি চালানো হবে। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪টি প্রবেশপথে ব্যারিকেড বসানো হবে এবং আর্চওয়ে ও হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের তল্লাশি করা হবে।’
আরও পড়ুন: ঢাকার যানজট কমাতে ১১ প্রস্তাবনা
তিনি জানান, ‘নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি, ভিডিও ও স্টিল ক্যামেরা, ড্রোন নজরদারি চালু থাকবে। এছাড়া পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও আশপাশের ভবনের ছাদে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’
ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদা পোশাকে বিশেষ টিম কাজ করবে। অনিয়ন্ত্রিত হকার প্রবেশ ঠেকাতেও থাকবে নজরদারি। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে।
এমআইকে/এএইচ