নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২০ এএম
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে মাংসের দোকানগুলোতে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে খাবারের আয়োজন এবং অতিথি আপ্যায়নের প্রস্তুতিতে এদিন মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। তবে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও তুলনামূলক বেশি থাকায় বাড়তি খরচের চাপ পড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সরেজমিন রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই মাংসের দোকানগুলোতে দীর্ঘ সারি। অনেকেই এক সপ্তাহের বাজার একসঙ্গে করতে এসে গরু, খাসি ও মহিষের মাংস কিনছেন। বিক্রেতারা জানান, ছুটির দিনে সাধারণত বিক্রি বেশি থাকে, তাই বাজারেও ভিড় বেশি হয়।
বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা দরে। মহিষের মাংস ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এটি প্রতিদিন জবাই করা হয় না বলে জানান বিক্রেতারা। অন্যদিকে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে।
আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের চড়া দামে অস্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
রাজধানীর শনিরআখড়া কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা রবিউল আলম ঢাকা মেইলকে বলেন, বন্ধের দিন ছাড়া পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে খাওয়ার সুযোগ হয় না। তাই এদিন একটু ভালো রান্না করার চেষ্টা করি। কিন্তু মাংসের দাম বেশি হওয়ায় খরচও অনেক বেড়ে যায়।
কেনাকাটা করতে আসা সাদেক হোসেন বলেন, ছুটির দিনে অনেক সময় অতিথিও আসে। তাই মাংস কিনতেই হয়। কিন্তু দাম বেশি থাকায় বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ছুটির দিনে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ভিড় বেশি থাকে এবং বিক্রিও বাড়ে।
অন্যদিকে যাত্রাবাড়ী এলাকার মাংস বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, শুক্রবারে চাহিদা বেশি থাকে, তাই বিক্রিও বেশি হয়। তবে আমরা পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনে আনতে হয়, সেই অনুযায়ী দাম রাখতে হয়।
ক্রেতাদের অভিযোগ, ছুটির দিনে বাজারে তদারকি বাড়ানো হলে অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রবণতা কমতে পারে। তাদের আশা, নিয়মিত নজরদারি থাকলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে প্রয়োজনীয় বাজার করতে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।
এমআর/এএমআর