শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

নিত্যপণ্যের চড়া দামে অস্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪০ এএম

শেয়ার করুন:

নিত্যপণ্যের চড়া দামে অস্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
নিত্যপণ্যের চড়া দাম। ছবি: ঢাকা মেইল

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে তেমন স্বস্তি নেই। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা প্রতিদিনের বাজার করতে গিয়ে চাপে পড়ছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘিরে এমন চিত্র দেখা যায়। 


বিজ্ঞাপন


বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও ঈদের পর থেকে সোনালি মুরগি এখনও উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে বর্তমানে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা দরে। কয়েকদিন আগেও এর দাম ৪৫০ টাকায় উঠেছিল। সবজির মধ্যে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং আদা ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

fish
বাজারে নানা প্রজাতির মাছ 

মাছের বাজারে টেংরা ৬৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ৩০০ টাকা, ব্রিগেড ১৮০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বাইলা ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৪০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বাজারে করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী এনানুল হক বলেন, বাজারে এলেই খরচের হিসাব মিলছে না। মাছ-মাংস তো দূরের কথা, সবজি কিনতেই এখন বেশি টাকা লাগে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।


বিজ্ঞাপন


কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী সাবিনা আক্তার বলেন, প্রতিদিন একটু একটু করে সবকিছুর দাম বাড়ছে। আয় বাড়েনি, কিন্তু বাজার খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এখন বাধ্য হয়ে অনেক কিছু কম কিনতে হচ্ছে।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়ে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, আমরাও বেশি দামে কিনে আনছি। তাই কম দামে বিক্রি করা যাচ্ছে না। সরবরাহ কম থাকলে দাম বাড়ে।

সবজি বিক্রেতা আব্দুল রহিম বলেন, কিছু সবজির দাম একটু কমেছে, কিন্তু পরিবহন খরচ বেশি থাকায় পুরোপুরি কমানো যাচ্ছে না। পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়বে।

বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়ানো গেলে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে। 

এমআর/এএমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর