images

জাতীয়

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল ২০২৬ সংসদে পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম

জাতীয় সংসদে  জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধনী) বিল ২০২৬ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি বলেন, ২০২২ সালের বিদ্যমান আইন সংশোধনের মাধ্যমে সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক আইন কাঠামো তৈরি করাই এ বিলের লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে এ বিল পাস করা হয়।

বিলটি উত্থাপনের সময় মন্ত্রী সংসদকে জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২ (১৫ নং আইন) সংশোধন করে নতুন বাস্তবতায় উপযোগী করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা ও মূল্যবোধকে আরো সুস্পষ্টভাবে সংরক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ সংশোধনী আনা হয়েছে।

সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তাৎক্ষণিকভাবে বিবেচনার জন্য গ্রহণের প্রস্তাব করা হলে কণ্ঠভোটে তা গৃহীত হয়। স্পিকার প্রস্তাবটি ভোটে দিলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয় বলে ঘোষণা দেন। এরপর বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় দফাওয়ারি আলোচনা ছাড়াই ধারাগুলো একে একে পাস করা হয়।

বিলের ধারাগুলো সংসদে উপস্থাপনের সময় ২ থেকে ১৪ নম্বর ধারা পর্যন্ত একযোগে কণ্ঠভোটে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং সংক্ষিপ্ত শিরোনাম সংবলিত প্রথম ধারাটিও কণ্ঠভোটে পাস হয়। এভাবে পুরো বিলটি সম্পূর্ণ আকারে সংসদের অনুমোদন লাভ করে।

সবশেষে মন্ত্রী পুনরায় বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে স্পিকার তা ভোটে দেন এবং কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে বিলটি পাস হয় বলে ঘোষণা দেন।

সংশোধিত এ আইনে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর উল্লেখ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং নেজামে ইসলামসহ আরো কয়েকটি পক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব সংগঠনকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে চিহ্নিত করে আইনের কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও বিকৃতি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এফএ