images

জাতীয়

রাজধানীর পথে-ঘাটে মিলছে টুকটুকে তরমুজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

রাজধানীর পথে-ঘাটে মিলছে মৌসুমী ফল তরমুজ, খেলেই মিলছে স্বস্তি। আর দূর হয়ে যায় গরমের ক্লান্তি। চলছে তরমুজের মৌসুম। এই তরমুজের দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যেও রয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানী ঘুরে দেখা যায়, ঢাকার প্রতিটি মোড়ের ফুটপাতে রয়েছে তরমুজের দোকান। সেইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভিতরেও বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। কিছু তরমুজ তরতাজা, আবার কিছু আছে অপেক্ষাকৃত কম মানের।

ঢাকায় তরমুজের শরবত বিক্রি বানিয়ে প্রতি ক্লাস বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা দামে। আবার ছোট ছোট করে কেটে ৮ থেকে ১০ পিস তরমুজ খুচরা বিক্রি করা হচ্ছে ২০ টাকা দামে। আবার একটি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা দামে।

ab976bc9-973f-470e-ac76-6bd8ccecd6e6

এদিকে রাজধানীর আড়তে সাধারণত তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি হয় এবং ১০০ পিসের কমে কেনা যায় না। এখন আড়তে ৫ থেকে ৮ কেজি ওজনের একশ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৫ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে প্রতিটি তরমুজের দাম পড়ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। রমজান মাসে এ দাম ছিল ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

মাঝারি আকারের তরমুজ ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। এ তরমুজগুলোর ওজন ৩ থেকে ৫ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রতি পিসের দাম পড়ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ২ দুই থেকে তিন কেজি ওজনের ছোট আকারে তরমুজ প্রতি ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায়। ‌ এক্ষেত্রে প্রতি পিসের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এদিকে তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে তরমুজের প্রতি ঝুঁকছেন সাধারণ মানুষ। বাজারে এখন তরমুজের চাহিদা বেড়েছে এবং অনেকেই এটিকে গরমের প্রধান ফল হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাশেদ আহমেদ বলেন, ‘এই গরমে তরমুজ খেলে শরীর অনেকটা ঠান্ডা লাগে এবং ভালো লাগে। কাজের ফাঁকে তরমুজ খেলে ক্লান্তিও কমে যায়। তবে তরমুজের দামটা একটু বেশি। যেখানেই যাই ২০ টাকা নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। ১০ টাকার করে পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো হতো।’

আরেক শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ নোমান বলেন, ‘গরমকালে তরমুজ খেতে ভালো লাগে। তবে বেশি খেলে কখনো কখনো পেট খারাপ হয়। পরিমাণ মতো খেতে হয়, যা শরীরের জন্য সহনীয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গরমকালে নিয়মিত তরমুজ খাই। আমি চেষ্টা করি পরিমাণ মতো খেতে এবং পরিষ্কার জায়গা থেকে তরমুজ কিনতে।’

ব্যবসায়ী নাজিমুর রহমান বলেন, ‘ঢাকার বাজারে ঈদের পরপরই তরমুজের দাম কিছুটা বেড়েছে। আরো কিছুদিন হয়তো দাম বেশি থাকবে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি কম মূল্যে বিক্রি করার। সেইসঙ্গে ভোক্তাদেরকে ভালো পণ্য দিচ্ছি।’

রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ের তরমুজ বিক্রেতা রাইসুল ইসলাম বলেন, ‘আড়ৎ থেকে আমরা কিনে নিয়ে আসি। আড়তে দাম বেশি থাকলে আমাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। আমরা সীমিত পরিসরে লাভ করি। আড়ৎ বলা হচ্ছে, তরমুজ উৎপাদনে খরচ বেড়ে গেছে।’

এসএইচ/এমআই