জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে দেশে জ্বালানি তেল পেতে ফিলিং স্টেশন বা তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকেরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছেন। ঈদের কারণে কয়েক দিন বিরতি থাকলেও আবারও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে তাদের।
বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন তেল পাম্পে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকেরা তেল পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে অধিকাংশ পাম্পে বিকেলের আগে তেল মিলবে না।
শ্যামলী, আসাদগেট, বিজয় স্মরণীসহ বিভিন্ন এলাকার তেল পাম্প ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তেল ডিপো থেকে আসতে দেরি হচ্ছে। ফলে পাম্পগুলো দেরিতে তেল দিতে বাধ্য হচ্ছে। তেলের কোনো সংকট নেই। তবে তেলের লরিগুলো ডিপো থেকে তেল ভরে পাম্প পর্যন্ত পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগছে। এ কারণে প্রাইভেটকার, বাস ও মোটরসাইকেল চালকদের তেল পেতে ভোগান্তি হচ্ছে।
আসাদগেটের উল্টো পাশে থাকা তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার ফাত্তাহ আজম ঢাকা মেইলকে বলেন, চারটার আগে তেল দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ গাড়ি এখনো ডিপোতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। তাই গাড়ি এলে তেল দেওয়া যাবে। কোনো সংকট নেই।
তার সঙ্গে কথা বলার সময় পাম্পটির পশ্চিম পাশের সড়কের উত্তর দিকে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিরা জানেন না, কখন কর্তৃপক্ষ তেল দেবে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চারটার আগে ওই পাম্পে তেল মিলবে না।
আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সম্ভাব্য করণীয়
একই চিত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এলাকা থেকে শুরু করে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের সামনে পর্যন্ত। তবে দুপুর দেড়টার দিকে পাম্পটির চত্বরে একটি তেলের লরি আনলোড করতে দেখা যায়। পরে মোটরসাইকেল চালকেরা জানান, কর্তৃপক্ষ তাদের বিকেল তিনটার দিকে তেল দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। জানা গেছে, লরি দেড়টায় এলেও পাম্পের কর্মীরা আগে দুপুরের খাবারের বিরতি নেবেন, এরপর তেল প্রসেস করে বিতরণ শুরু করবেন।
সেখান থেকে শাহবাগ এলাকায় গিয়ে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বিপরীতে সাকুরা বারের উত্তর পাশে থাকা একটি তেল পাম্পে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন থাকলেও সেখানে সকাল থেকেই তেল মিলছে। অকটেন ও ডিজেল বিক্রি চলছে নিয়মিত। কোনো সংকট নেই বলে জানান সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী মিজান।
এমআইকে/এআর