জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম
পদ্মা সেতুর কল্যাণে সারা বছর যাত্রী খড়া চললেও ঈদকে ঘিরে আবার সেই চেনা রূপে ফিরে এসেছে সদরঘাট।
টানা সাত দিনের সরকারি ছুটির প্রথম দিনেই রাজধানীর প্রধান ও একমাত্র নৌবন্দরে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অন্য সময় বিকেল থেকেই যাত্রা শুরু হলেও ঈদকে ঘিরে এখন সকাল থেকেই লঞ্চ ছাড়তে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।

ফলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী দুইদিন নৌপথে ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ আরও বাড়বে।
ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচল করে মাহফুজ খান বা এম খান লঞ্চ। ভিআইপি সহ ১৮২টি কেবিন রয়েছে এতে। এম খানের সুপারভাইজার শাহাদাত হোসেন শুভ জানান, গত রাতে বরিশাল গিয়ে আজ দুপুরে ফিরে এসেছে। রাত সাড়ে ৮টায় আবার যাত্রা শুরু হবে। এর মধ্যে কিছু কেবিন বাদ দিয়ে সব বুক হয়ে গেছে। যাত্রী চাপ বেড়েছে। কাল-পরশও চাপ থাকবে।
এম খানের পাশেই যাত্রার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এমভি কাজল-৭। লঞ্চটি ঢাকা থেকে বগা হয়ে পটুয়াখালী পর্যন্ত চলাচল করে। কাজলের সুপারভাইজার তুফান জানান, আমাদের কিছু কেবিন ফাঁকা আছে, বাকিগুলো বুক হয়ে গেছে।

ঢাকা-হাতিয়া রুটে চলাচল করে এমভি ফারহান-৩। সুপারভাইজার জাহিদ বলেন, আমাদের লঞ্চে ডাবল ও সিঙ্গেল মিলে ৫১টি কেবিন রয়েছে। এখন একটি খালি নেই। বিকেল সাড়ে ৫টায় যাত্রা শুরু করব।
আরও পড়ুন: ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ থাকলেও নেই যানজটের ভোগান্তি
ধূলিয়া-১ লঞ্চ ঢাকা থেকে কালাইয়া পর্যন্ত চলাচল করে। সুপারভাইজার মোহাম্মদ আরিফ জানান, যাত্রীদের চাপ সন্ধ্যার দিকে আরও বাড়বে।
দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ বরিশালের গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য সদরঘাটে এসেছেন শাহজালাল ও জেসমিন আক্তার।
শাহজালাল বলেন, ঈদযাত্রা মানে আনন্দ যাত্রা। আর আনন্দ যাত্রার বড় অংশ এই লঞ্চযাত্রা। এর চেয়ে আরামদায়ক ও উপভোগ্য কোনো মাধ্যম নেই।
জেসমিন আক্তার যোগ করেন, আমরা পরিবার নিয়ে যখনই গ্রামে যাই, লঞ্চেই যাই। এতে ছেলে-মেয়েরা থাকলেও কোনো কষ্ট হয় না।
এএম/এআর