images

জাতীয়

ভোটের দিনই ফল প্রকাশে প্রস্তুত ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠের পরিবেশ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ফল প্রকাশের জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ব্যালট গণনা শেষে অধিকাংশ আসনের ফলাফল মধ্যরাতের মধ্যেই ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, ‘মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থী ও দলের অঙ্গীকারনামা এবং মাঠপর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের ফলে আচরণবিধি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করা গেছে। অতীতের তুলনায় মাঠে-ঘাটে পরিবেশ অনেক ভালো।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে, আপনাদের মাধ্যমে আমরা যা খবর পাচ্ছি এবং বাস্তবে আমরা মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে যেটুকু দেখতে পাচ্ছি- নির্বাচন কমিশন মনে করে অতীতের অনেক নির্বাচনের চেয়ে এবারের নির্বাচনের মাঠে পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার।’

এ নির্বাচন কমিশনার জানান, ৮ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত ১২৮টি নির্বাচনি এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করে। আচরণবিধি ভঙ্গের ১৪৪টি ঘটনায় জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার পরিমাণ ৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা। মামলার সংখ্যা হয়েছে ৯৪টি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। মোবাইল কোর্ট প্রতিদিনই তারা পরিচালনা করছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট পাচ্ছি যে মিনিমাম ৫০–৬০টি কেস রুজু হচ্ছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে, কোথাও সাজা হচ্ছে। মানে কার্যক্রম জোরেশোরে চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিনিয়তই আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ভাই আমাদের কাছে আসছেন। উনাদের পরামর্শ, অবজারভেশন, পর্যবেক্ষণ আমাদেরকে দিচ্ছেন। সে অনুযায়ী আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। এছাড়াও আমাদের সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে আমাদের ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে যেই বিষয়গুলো আসছে, তাৎক্ষণিকভাবে আমরা রিটার্নিং অফিসারদের নজরে নিয়ে আসছি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় যারা নিয়োজিত রয়েছেন, তাদেরকে এগুলো নিবারণসহ প্রতিরোধ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা তড়িৎ ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

এমএইচএইচ/এমআই