নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। এর আগে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছিল।
রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আজিজুল হক দিদার এ তথ্য জানিয়েছেন।
নজরুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান, মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন জামিনের আবেদন জানিয়ে শুনানি করেন।
শুনানিতে আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান বলেন, তার মক্কেল সম্পূর্ণ নির্দোষ। এজাহারে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করার জন্য তাকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
গাজী নজরুলের এমপি পদ বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন টিআইবির
এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করল জামায়াত
তিনি আরও বলেন, আসামির বয়স ৭৫ বছর। তিনি একজন বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জটিল হৃদরোগে ভুগছেন। তার স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে এবং জামিন পেলে তিনি আত্মগোপন করবেন না বা এলাকা ছেড়ে যাবেন না। গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম আপসের শর্তে জামিন পেয়েছেন। একই শর্তে গাজী নজরুল ইসলামও জামিন পাওয়ার অধিকারী।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম আপসের শর্তে জামিন পান। তবে মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান এখনো কারাগারে রয়েছেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রাতে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
ওই রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
এআর