Dhaka Mail Logo

আইন-আদালত

রামপুরায় ২৮ হত্যা: বিজিবির রেদোয়ানসহ চারজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চার আসামির বিরুদ্ধে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষের ১৬তম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন আন্দোলনে নিহত রিকশাচালক ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী লাকি বেগম। জবানবন্দিতে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরার ডেলটা কেয়ার হাসপাতালের সামনে পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে তার স্বামী নিহত হন। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি স্বামী হত্যার জন্য মামলার চার আসামিকে দায়ী করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান ও মামুনুর রশিদ। তাদের সঙ্গে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার ও মঈনুল করিমসহ প্রসিকিউশন টিমের সদস্যরা।

মামলার চার আসামির মধ্যে দুজন বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম। তারা বর্তমানে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেলে বন্দি আছেন।

মামলার বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন—ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় রামপুরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্বিচার গুলিতে অন্তত ২৮ জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। ঘটনার তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল করলে এই চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আরএনবি/এআরএম