images

আইন-আদালত

ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যা, প্ররোচনার দায়ে শিক্ষক কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিমোকে (২৬) আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে (৪৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তর বাড্ডার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রোববার সকালে বাড্ডা থানা এলাকার উদয় ম্যানসন রোড়ের বাসায় মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে তার বাবা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাকে মৃত অবস্থায় নিচে নামানো হয়। তারপর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ওইদিন মুনিরা মাহজাবিন মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা (৬২) মিমোকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ দেখে বাদীর মনে হয় যে, আসামি ড. সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। আসামি ও বাদীর মেয়ে রোববার (২৭ এপ্রিল) রাত ১টায় আসামির সঙ্গে ভিডিও কলে কথাবার্তা বলেছে। উক্ত কথোপকথনের প্রেক্ষিতে বাদীর মেয়ে আসামির দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এফএ