নিজস্ব প্রতিবেদক
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকসহ আটজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত অন্যরা হলেন-রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা, সদস্য (অর্থ ও এস্টেট) আইম গোলাম কিবরিয়া, সদস্য মো. আবু বক্কার সিকদার, সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সদস্য (এস্টেট) আখতার হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সচিব ও সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম এবং সদস্য (প্রশাসন ও ভুমি) নাজমুল হাই।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও নিজেরা লাভবান হয়ে বা অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশে অপরাধমূলক অসদাচরণ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে তাদের উপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি আসামি এ বি এম খায়রুল হক তার নামে বরাদ্দ বাতিলকৃত প্লটের বরাদ্দ রি-স্টোর করে এবং ওই প্লট বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তির ১৭নং ক্রমিক এবং প্লট বরাদ্দের প্রসপেক্টাস এর ১১ নং ক্রমিকে শর্ত লঙ্ঘন করে সুদ বাবদ ধার্য্যকৃত ৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মওকুফ করে ওই প্লট বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তির ১৭ নং ক্রমিক এবং প্লট বরাদ্দের প্রসপেক্টাস এর ১১ নং ক্রমিকে শর্ত লঙ্ঘন করে সুদ বাবদ ৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা পরিশোধ না করে অবৈধভাবে রাজউকের কর্মকর্তাগণের দ্বারা সুদ মওকুপ করিয়ে ওই টাকা সরকারের ক্ষতিসাধনপূর্বক আত্মসাত করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
আসামিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। সুতরাং, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। তারা দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। তাছাড়া সার্বিক অনুসন্ধানকাজে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে।
এএইচ