চাকরি ডেস্ক
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
চাকরির বাজারের প্রতিযোগিতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। যোগ্যতার এই ঘোড়দৌড়ে দীর্ঘমেয়াদে তারাই টিকে থাকবে প্রতিনিয়ত যারা নিজেদের দক্ষ করে তুলছে। তাই ক্যারিয়ারে কখনো পিছিয়ে পড়তে না চাইলে জেনে নিন এমন কিছু দক্ষতার কথা যা অর্জন করলে চাকরির বাজারে আপনার মূল্য তো কমবেই না, বরং আপনি হয়ে উঠবেন অপ্রতিরোধ্য-

ডিজিটাল স্কিল: ডিজিটাল এই যুগে আপনার মূল পেশা যাই হোক না কেন, বেসিক কোডিং, ডেটা অ্যানালাইসিস, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এবং সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের মতো দক্ষতা আপনার থাকতেই হবে। চাকরির বাজারে এসব দক্ষতার কদর সবচেয়ে বেশি।
যোগাযোগ ও ভাষাগত দক্ষতা: শুদ্ধ বাংলা ও ইংরেজি ভাষা জানার পাশাপাশি অন্য কোনো বিদেশি ভাষা জানা থাকলে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়। হতে পারে সেটি ম্যান্ডারিন, জার্মান বা আরবি ভাষা। তাই পছন্দের পেশায় যে ভাষাটির অগ্রাধিকার বেশি সেটি শেখা শুরু করুন।
শুধু ভাষা জানলেই হবে না, সঙ্গে সঙ্গে চমৎকার উপস্থাপনা এবং নেগোসিয়েশন দক্ষতা থাকাটাও জরুরি।

আরও পড়ুন: নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে সিভি কাস্টমাইজ করবেন যেভাবে
নেতৃত্ব ও দলগত কাজ: ‘ওয়ান ম্যান আর্মি’ বা সবকাজ নিজে করে ফেলার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। অথচ একা অনেকগুলো কাজ করার চেয়ে টিমের সঙ্জে কাজ করলে আউটপুট আরও দ্রুত ও ভালো আসে। তাই আপনার যদি নিজের কাজের বাইরেও পুরো টিমকে নেতৃত্ব দেওয়া বা যে কোনো সংকটে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে তবে আপনিই হবেন চাকরিদাতাদের প্রথম পছন্দ।
আর্থিক ও ব্যবস্থাপকীয় জ্ঞান: আর্থিক ব্যাকগ্রাউন্ডের না হয়েও বেসিক অ্যাকাউন্টিং, বাজেট প্রণয়ন বা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে। এই গুণ আপনাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।
আরও পড়ুন: যেভাবে সিভি লিখলে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি পাবেন ফ্রেশাররা
বহুমুখী দক্ষতা থাকার সুবিধাসমূহ

নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার: এই দক্ষতাগুলো হাজার হাজার প্রার্থীর ভিড়ে নিয়োগকর্তার কাছে আপনাকে আলাদা করে তুলবে। একজন চাকরিপ্রত্যাশীর সিভিতে অ্যাকাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি থ্রিডি মডেলিং, ভিডিও এডিটিং বা ডেটা সায়েন্সের কোর্স ও প্রজেক্টের তথ্য উল্লেখ থাকলে নিয়োগকর্তারা ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রথমে তাকেই ডাকেন।
চাকরির নিরাপত্তা: বিশ্ব অর্থনীতি বা দেশীয় বাজারে মন্দার সঙ্গে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মী ছাঁটাইয়ে হিড়িক পড়ে। তখন তারাই টিকে যান যারা বহুমুখী দক্ষতার অধিকারী। বাকিরা চাকরি হারানোর ঝুঁকি থাকেন।
দ্রুত পদোন্নতি: বহুমুখী দক্ষসম্পন্ন কর্মীদের কাজের পরিধি বড় হয়। ফলে তারা দ্রুত প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজের জন্য জায়গা করে নিতে পারেন। এতে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ কর্মীদের তুলনায় তাদের ইনক্রিমেন্ট, প্রমোশন এবং বোনাস পাওয়ার হার অনেক বেশি হয়।
এএ