আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এ সময় প্রায় ৫ লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
তবে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু দুস্কৃতিকারী প্রথমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও পরে লুটপাট চালায়। পরে অনেক মানুষ এই লুটপাটে অংশ নেন। খবর রয়টার্স ও সিএনএনের্।
আর সেদিন লুট হওয়া সেসব পণ্য এখন অনলাইনে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন লুটপাটকারীরা। এমন অবস্থায় ফ্রান্সের সরকার অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নজরদারি বাড়িয়েছে।
ফ্রান্সের ক্ষুদ্র ব্যবসা মন্ত্রী সার্জে পাপিন এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছেন, গত সোমবার অনলাইন মার্কেটপ্লেস অপারেটদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
আরও পড়ুন:
এরপর তারা প্রতিশ্রতি দিয়েছে লুটকৃত মালামাল ক্রয় বিক্রয় ঠেকাতে তারা সহায়তা করবে।
তিনি পরে মঙ্গলবার জানান, যারা লুট করা মালামাল বিক্রি করবেন তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওইদিন লুটপাটের শিকার হয়েছিল লুইস ভুটন, রোলেক্সের মতো বিলাসী পণ্য বিক্রি করা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া সৌন্দর্য্যবর্ধক পণ্য বিক্রি করা সেপোফাড়ার খুচরা দোকানগুলোতেও হামলা ও লুটপাট হয়।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন বুধবার (২১ অক্টোবর) জানিয়েছে, লুটের শিকার হওয়া খুচরা দোকানগুলো এমনিতেই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এরমধ্যে আবার তাদেরই লুট করা পণ্য কম দামে অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে। যা তাদের ব্যবসার জন্য আরও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
-এমএমএস