আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে ফের মামলা (এফআইআর) দায়ের করল দিল্লি পুলিশ।
এবার অবশ্য নতুন অভিযোগে। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা পুলিশের ওপর হামলা করেছেন এবং দিল্লিতে জ্ঞানেশ-বিরোধী বিক্ষোভ চলার সময় পুলিশকে কাজে বাধা দিয়েছেন।
এফআইআর-এ রাহুল-প্রিয়ঙ্কা ছাড়াও কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা এবং কর্মী-সমর্থকদের নাম রয়েছে।
দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবারের (৭অেক্টোবর) বিক্ষোভে ৯১ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে বিরোধী দলের এমপিরা ছাড়াও একাধিক দলের কর্মী-সমর্থকেরাও রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবারের পর বুধবারও ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে দিল্লির রাজপথে নেমেছিলেন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র এমপিরা।
যন্তর মন্তরের উদ্দেশে তারা উঠেছিলেন বাসে। কিন্তু যন্তর মন্তরে যাওয়ার আগেই মাঝপথে তাদের বাস আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ।
বিরোধী দলের এমপিদের কয়েকজন সেসময় বাসের ছাদেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এর পর রাহুল-প্রিয়ঙ্কা-সহ বিরোধী দলের এমপিরা রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকলে মঙ্গলবারের মতোই টেনে-হিঁচড়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে ‘ইন্ডিয়া’র নির্বাচন সদনমুখী মিছিল থেকে হঠাৎই দিল্লি আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢুকে পড়েছিলেন রাহুলেরা। তার জন্য আগাম কোনও অনুমতি নেননি তারা।
এই সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পরেই বুধবার রাহুল-প্রিয়ঙ্কা-সহ বিরোধী এমপিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল দিল্লি পুলিশ।
পুলিশের বক্তব্য ছিল যে, মঙ্গলবার রাহুলদের বার বার ওই জায়গা থেকে উঠে যাওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে রাজি হননি।
রাহুলদের দাবি ছিল, আগে এমপিদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের দেখা করতে হবে।
দিল্লি পুলিশ জানায়, তাদের হস্তক্ষেপেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। শেষমেশ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আকাশবাণী ভবন চত্বর থেকে রাহুল-প্রিয়ঙ্কাকে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় নিউ পুলিশ লাইনসে।
পরে সেখান থেকে রাহুলদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এবার বুধবারও রাহুল-প্রিয়ঙ্কার বিরুদ্ধে আরেকটি এফআইআর দায়ের হলো।
-এমএমএস