Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে জামিন দিল হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে অন্তর্বর্তী জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুধুমাত্র নির্বাচনে লড়াই করার জন্য এই অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছে আদালত।

মিলনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ছয়টি মামলাতেই আপাতত জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, তিন সপ্তাহের জন্য মিলন জামিন পাবেন। 

অর্থাৎ, জেলের বাইরে থেকেই ভোটে লড়তে পারবেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী। অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ থাকবে আগামী তিন সপ্তাহ পর্যন্ত। ২১ অক্টোবর মামলাটি ফের শুনবে উচ্চ আদালত।

মিলনকে আপাতত জামিন দিলেও একগুচ্ছ শর্ত বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট। নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ হলেই হলদিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে মিলনকে। 

সকাল সাড়ে ৮টা ও রাত সাড়ে ৯টায় সংশ্লিষ্ট থানায় ফোন করে তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে হবে তাকে।

জামিন চেয়ে গত বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিলন। তার আইনজীবীরা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে তাদের মক্কেলের জামিনের আবেদন করতে চান বলে জানিয়েছিলেন। 

তাদের বক্তব্য ছিল, মিলন উপনির্বাচনের প্রার্থী। জামিনের আবেদনের শুনানি করতে সময় লাগবে। আদালত আবেদনের অনুমতি দিক। 

এই মামলার দ্রুত শুনানি করা হোক। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর জামিনের আবেদনের অনুমতি দেন বিচারপতি ঘোষ।

বিচারপতি ঘোষ জানিয়েছিলেন, উপনির্বাচনে মিলনকে লড়তে দেওয়া হোক। তিনি অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছেন। তার প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ছিল, ‘‘আমি অন্তর্বর্তী জামিন দিচ্ছি। তিনি নির্বাচনে অংশ নিন। বাকিটা মামলার ভাগ্যের উপর নির্ভর করবে।’’ 

তার পরেই শুক্রবার বিকেলে শুনানির দিন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু শুক্রবারও জামিন পাননি মিলন। চার মামলায় জামিন চেয়ে তার আবেদনের শুনানি হয়। আর দু’টি মামলাতেও তিনি জামিনের আবেদন করেন।

১৯ বছরের পুরনো মামলায় পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। তার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলন পর্বে খুন, খুনের চেষ্টা, লোকজন নিয়ে জমায়েত, লুটপাট-সহ নন্দীগ্রাম থানায় তিনটি এবং খেজুরি থানায় একটি মামলা রুজু হয় বলে পুলিশ জানায়।

যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, ‘রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ’ করতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

-এমএমএস