images

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ১৪ দফা চুক্তি, লাভের পাল্লা কার দিকে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪৭ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে। চুক্তিতে যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন সমঝোতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পেয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির বিভিন্ন ধারা তুলে ধরেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সই হতে পারে। এরপর ৬০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকাশিত নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবিলম্বে যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান বন্ধে সম্মত হয়েছে। উভয় দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনেরও অঙ্গীকার করেছে।

চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা। সমঝোতা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে এবং ইরান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে ৩০ দিনের মধ্যে প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

অর্থনৈতিক দিক থেকে ইরান বড় ধরনের সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। চুক্তিতে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশটির জব্দ থাকা সম্পদ ও তহবিল ব্যবহারের সুযোগও ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইরানের তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে।

আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক অংশীদারেরা ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

তবে পারমাণবিক ইস্যুতে উভয় পক্ষ কিছুটা সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছে। ইরান আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও তা সম্পূর্ণ অপসারণ, বিদেশে পাঠানো বা সংরক্ষণের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সদিচ্ছার ভিত্তিতে যৌথভাবে নিচের বিষয়গুলোতে সম্মত হয়েছে:

১. যুক্তরাষ্ট্র, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং চলমান যুদ্ধে তাদের মিত্ররা এই এমওইউতে স্বাক্ষর করছে অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ ঘোষণা করতে। এখন থেকে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু করবে না। তারা একে অপরের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা হুমকি দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। পাশাপাশি তারা লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করবে। লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির বিষয়টি চূড়ান্ত চুক্তিতে নিশ্চিত করা হবে। এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানও সেখানে নিশ্চিত করা হবে।

২. যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানাবে। তারা একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকবে।

৩. যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনা করে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর অঙ্গীকার করছে। উভয় পক্ষের সম্মতিতে এ সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।

৪. এই এমওইউ সই হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র তার নৌ অবরোধ তুলে নিতে শুরু করবে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে থাকা যেকোনো বাধা বা বিপত্তিও দূর করা শুরু করবে। ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ পুরোপুরি তুলে নেবে। এ সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করবে ইরান। চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের নিকটবর্তী এলাকা থেকে নিজেদের সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেবে।

৫. এই এমওইউ সই হওয়ার পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বিনা মাশুলে বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে চলাচলের ব্যবস্থা করবে। পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর এবং বিপরীত দিক থেকে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে এটি শুধু ৬০ দিনের জন্য প্রযোজ্য হবে। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অবিলম্বে শুরু হবে এবং কারিগরি ও সামরিক বাধা অপসারণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ইরান ৩০ দিনের মধ্যে মাইন অপসারণ করবে। আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে এবং হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় দেশগুলোর সার্বভৌম অধিকার অক্ষুণ্ন রেখে ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালি কীভাবে পরিচালনা করা হবে এবং সেখানে নৌ পরিষেবা কীভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা করবে ইরান। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের সঙ্গেও তারা কথা বলবে।

৬. যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে অন্তত ৩০ হাজার কোটি (৩০০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার ব্যয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও উভয় পক্ষের সম্মতিপূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি করবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে ৬০ দিনের মধ্যে এবং সেটা করা হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের লাইসেন্স, ছাড় ও অনুমতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

৭. চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে দুই পক্ষের মতৈক্যের সময়সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে। এর মধ্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ও আইএইএ বোর্ড অব গভর্নরসের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একতরফাভাবে দেওয়া সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হবে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত গুরুত্ব স্বীকার করে। এ বিষয়ে পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছাতে তারা আলোচনার মাধ্যমে অবিলম্বে এসব সমস্যা সমাধানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

৮. ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান আবার নিশ্চিত করেছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা তৈরি করবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পারস্পরিক সম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মজুত করা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের নিষ্পত্তির বিষয়ে একমত হয়েছে। তা করা হবে ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে। আইএইএর তত্ত্বাবধানে ন্যূনতম পদ্ধতি ব্যবহার করে এগুলো নির্ধারিত স্থানেই নিষ্ক্রিয় (ডাউন ব্লেন্ড) করা হবে। চূড়ান্ত চুক্তিতে সম্মত হওয়া একটি সন্তোষজনক কাঠামোর ভিত্তিতে দুই পক্ষ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়েছে। এ ছাড়া ইরানের পারমাণবিক চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় নিয়েও তারা আলোচনা করবে। চূড়ান্ত চুক্তিতে এই অনুচ্ছেদের বিধানগুলো নিশ্চিত করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উল্লিখিত পারমাণবিক বিষয়গুলোর চূড়ান্ত গুরুত্ব স্বীকার করছে। পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছাতে তারা আলোচনার মাধ্যমে অবিলম্বে এসব ইস্যু সমাধানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

৯. চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বর্তমান পরিস্থিতি (স্ট্যাটাস কো) বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা ধরে রাখবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না। এ ছাড়া তারা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সামরিক বাহিনীও মোতায়েন করবে না।

১০. যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে এই এমওইউ সই হওয়ার পরপরই মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিতে ছাড় দেবে। এই ছাড়পত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর আওতায় ব্যাংকিং লেনদেন, বিমা, পরিবহনসহ আনুষঙ্গিক সব সেবাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

১১. এই এমওইউ বাস্তবায়ন সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের জব্দ থাকা বা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা তহবিল ও সম্পদ ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেবে। চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে সমঝোতা আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পারস্পরিকভাবে এই তহবিল ছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছাবে। এই তহবিলগুলো মূল অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দেওয়া বা অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর যেটাই করা হোক না কেন, সেগুলো ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেকোনো সুবিধাভোগীকে দিতে পারবে সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স ও অনুমোদন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

১২. এই এমওইউর সফল বাস্তবায়ন এবং চূড়ান্ত চুক্তির ভবিষ্যৎ শর্তাবলি মানার বিষয়টি তদারকির জন্য একটি নির্বাহী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

১৩. এই এমওইউ সই হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এই সমঝোতা স্মারকের ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর অনুচ্ছেদের বাস্তবায়ন শুরু করা এবং তা অব্যাহত রাখতে বাধ্য থাকবে। সেই সঙ্গে দুই পক্ষ চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু করবে, যা এই এমওইউর অন্য অনুচ্ছেদগুলোর ওপর ভিত্তি করেই হবে।

১৪. চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদন করা হবে।

কার লাভ বেশি?

চুক্তির ধারাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে পারে। নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়া, তেল রফতানির সুযোগ ফিরে পাওয়া এবং জব্দ সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেশটির অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অর্জন হতে পারে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রতিশ্রুতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত প্রশমনের মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সুযোগ।

তবে চুক্তির স্থায়িত্ব নির্ভর করবে চূড়ান্ত সমঝোতা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনার ওপর। বিশেষ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বাস্তবায়ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন মতবিরোধ দেখা দিলে এই সমঝোতার ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, আপাতদৃষ্টিতে এটি ‘উইন-উইন’ চুক্তি হিসেবে উপস্থাপিত হলেও অর্থনৈতিক সুবিধার দিক থেকে ইরান এবং নিরাপত্তা ও কৌশলগত দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষই নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত লাভের পাল্লা কোন দিকে ভারী হবে, তা নির্ধারণ করবে চুক্তির বাস্তবায়ন।

সূত্র: সিএনএন

এমআই