আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১ এএম
ইরানের বিরুদ্ধে টানা ৩৮ দিনের যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র পর নাটকীয় মোড় নিল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি। ইরানের ‘সভ্যতা ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুমকির সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তা শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টা আগে তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, শেষ মুহূর্তের এই সমঝোতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অবরুদ্ধ ‘হরমুজ প্রণালি’ খুলে দেওয়ার শর্ত।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তেজনাকর। এর মাঝেই এমন এক ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এ যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ছিল পাকিস্তান সরকার। তবে এ যুদ্ধবিরতির পরিধি কেবল দুই দেশের সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নয়।
আরও পড়ুন: ট্রুথ সোশ্যালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি শেয়ার করলেন ট্রাম্প
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নিশ্চিত করেছেন যে, এই চুক্তি লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য উত্তপ্ত অঞ্চলেও কার্যকর হবে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শাহবাজ শরিফ এই সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘উভয় দেশ যে বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা প্রদর্শন করেছে, আমি তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই। এই উচ্চপর্যায়ের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষই অত্যন্ত গঠনমূলকভাবে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে কাজ করেছে।’
শাহবাজ শরিফ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী শুক্রবার ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেখানে সব বিরোধের একটি চূড়ান্ত এবং মীমাংসিত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা শুরু হবে।
এআরএম