আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলা চালিয়েছে, একই দিনে ইসরায়েল ইরানের দুটি ইস্পাত কারখানাকে লক্ষ্যবস্তু করে আঘাত হানে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হামলাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বৈশ্বিক অ্যালুমিনিয়াম সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৯ শতাংশ এই অঞ্চল থেকে আসে।
এই ঘটনাটি চলমান যুদ্ধের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে— যেখানে চোখের বদলে চোখ কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে। অর্থাৎ, ইরান তার ভূখণ্ডে যেসব স্থাপনায় হামলা হচ্ছে, তার প্রতিক্রিয়ায় একই ধরনের লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা আঘাত হানছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় আরব অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পৃক্ত স্বার্থকে লক্ষ্য করে।
বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, যদি ইরান একই গতিতে হামলার জবাবে হামলা চালিয়ে যেতে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠবে। এরই মধ্যে ইরানের ওপর হামলার সংখ্যা বাড়ছে এবং সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে।
এদিকে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ অঞ্চলের মানুষের জন্যও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম জানিয়েছে, হাজার হাজার মার্কিন সেনা এখন মধ্যপ্রাচ্যে এসে পৌঁছেছে।
জানা গেছে, প্রায় ৩ হাজার ৫০০ অতিরিক্ত সেনা ইউএসএস ট্রিপলি জাহাজে করে পৌঁছেছে, যার মধ্যে নাবিক ও মেরিন সদস্যরাও রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে সংঘাত আরও বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলও তার বাইরে থাকবে না। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সংঘাতের ভয়াবহ বিস্তার প্রায় অনিবার্য বলেই মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এফএ