নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের প্রতিটি পরিবার বছরে অন্তত তিন-চার বার একজন স্বাস্থ্যকর্মীর ছোঁয়া পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে যৌথ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইপিআই পর্যালোচনার জন্য প্রাক-আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের প্রান্তিক থেকে নগর- সর্বস্তরে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অদক্ষতা দূর করতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে সরকার। নতুন এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি গ্রামীণ ইউনিয়ন এবং শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট’ গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি, এই বিস্তৃত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আরও এক লাখ নতুন ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী’ নিয়োগের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অদক্ষতা দূর করতে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করতে দেশের প্রতিটি স্থানীয় সরকার ইউনিটে (গ্রামীণ এলাকায় ইউনিয়ন এবং শহরাঞ্চলে ওয়ার্ড) প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন করা হবে। সেইসঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে নয় থেকে ১২ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী নিয়োগ বা মোতায়েন করা হবে।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, টিকাদান ও রোগ নজরদারির ফলাফলগুলো কেবল টিকাদান কর্মসূচির জন্যই নয়, বরং দেশের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার মান ও জবাবদিহিতা বাড়াতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে এবং অতীতে হওয়া ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও ব্যবহারিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. রাজেশ নরওয়েল, ইউনিসেফ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি মিস জিলিয়ান মেলসপ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. জিন্নাত রেহানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ/এসআই