Dhaka Mail Logo

বিনোদন

শিশু নির্যাতনের অভিযোগ তোলায় স্ত্রীকে খুন, পরে নিজে আত্মহত্যা

বিনোদন ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের ওলাহোমা অঙ্গরাজ্যের ঔয়াসো শহরে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সারা গিলসন ও তাঁ স্বামী জেরেমিয়া শন ডাফির মর্মান্তিক মৃত্যুর দুই মাস পর চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রধান মেডিকেল অফিসারের কার্যালয়। তাদের দাবি, সারার মাথায় গুলি করে খুন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, সারাকে হত্যার পর ডাফির নিজেই আত্মহত্যা করেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে টিকটকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন সারা। সেখানে নিজের স্বামীকে শিশু নিপীড়ক হিসেবে উল্লেখ করেন। ওই ভিডিওর জেরে সারাকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। 

গত ২৩ জুলাই স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে ঔয়াসো পুলিশ ডিপার্টমেন্ট গিলসনের নিজ বাড়ি থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার সময় বাড়িতে থাকা একটি শিশু ৯৯১ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা চায়। ইমার্জেন্সি ডিসপ্যাচ অডিও রেকর্ডিংয়ে শোনা যায়, পুলিশের কাছে সাহায্য চাওয়ার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে সারা গিলসনের চিৎকার। এর কিছুক্ষণের মধ্যে একটি বিকট গুলির শব্দ পাওয়া যায়। খবর পয়েছে ডিসপ্যাচাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে বাড়ির ভেতরে দুইজনকে মৃত অবস্থায় পান।

তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সারা গিলসন তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন। ঔয়াসো পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডাফি একটি যুব বাস্কেটবল দলের কোচ ছিলেন। দলের এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী খেলোয়াড়কে তিনি অনৈতিকভাবে স্পর্শ করেন। বিষয়টি আরেক কোচের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিশুটির পরিবারকে সব খুলে বলেন।

গত ১০ জুন সারা গিলসন তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত তাৎক্ষণিকভাবে ডাফিকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ঠিক একই দিনে অন্য এক নারী তাঁর ১৫ বছর বয়সী কিশোরী মেয়ের পক্ষ নিয়ে ডাফির বিরুদ্ধে আরেকটি আইনি সুরক্ষা আদেশের আবেদন করেন। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানায়, ডাফি দীর্ঘদিন একই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে আসছিলেন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগটি পরবর্তীতে পর্যালোচনার জন্য মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসে পাঠানো হয়েছিল।

ইএইচ/