শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গাছে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম

শেয়ার করুন:

সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গাছে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

ভারতের পাঞ্জাবে মনজিৎ কৌর নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে বনে নিয়ে গাছে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ আগস্ট ওই তরুণী মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তবে এ ঘটনায় পাঞ্জাব পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

মামলার বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত দুই ব্যক্তি- শুভি ও পিন্ডা তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪-এ ডেকে পাঠায়। 

এরপর সেখানে তাকে মারধর করে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের এক বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুজন মনজিৎকে একটি গাছে বেঁধে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অন্য এক পরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। তবে, কেন তাকে অপহরণ করে পুড়িয়ে মারা হয়, তা এখনো জানাতে পারেনি পুলিশ।

মনজিৎকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।  

তবে অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিৎ যখন সচেতন ছিলেন এবং জবানবন্দি দিতে চেয়েছিলেন, তখন পুলিশ তার বক্তব্য রেকর্ড করতে ব্যর্থ হয়।  

গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআরে মনজিৎ মারা যান। তার মৃত্যুর পর পিজিআই পুলিশ পোস্টের পক্ষ থেকে পুনরায় খারার সদর থানায় বার্তা পাঠানো হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা অবশেষে হাসপাতালে যান।  

পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪ থানায় নেওয়া হয়, সেখানে তার জবানবন্দি রেকর্ড করে বুধবার রাতে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। 

scn-india

গত বৃহস্পতিবার পিজিআইএমইআরে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  অবশ্য নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। 

তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনাটি চণ্ডীগড়ে ঘটায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া চণ্ডীগড় পুলিশের দায়িত্ব ছিল। পুলিশ আরও জানিয়েছে, খারার পুলিশ মনজিতের মাকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে এবং এফআইআর দায়ের করতে সাহায্য করেছে। 

চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার পুরোটাই পুনঃনির্মাণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার যে সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর