images

বিনোদন

স্পর্শিয়াকে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছে ‘বনলতা সেন’

বিনোদন ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম

জীবনানন্দের বনলতা সেনকে পর্দায় দেখতে প্রেক্ষাগৃহে যাচ্ছেন দর্শক। বুঝদাররা বুঁদ হচ্ছেন তাতে। ছবিটি দেখে মুগ্ধ অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তা। যা দেখে বলাই যায় স্পর্শিয়াকে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছে মাসুদ হোসেন উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’।

নিজের ফেসবুকে দেওয়া রিভিউতে স্পর্শিয়া লেখেন,‘‘বনলতা সেন’ দেখলাম। যতটা সম্ভব ছোট করে অল্পের মধ্যেই বলব। কিন্তু কোথা থেকে শুরু যে করব! আমার প্রিয় মাসুমা রহমান নাবিলাকে দিয়ে শুরু করি। নাবিলার সাথে পরিচালক এবং আমাদের কল্পনা ও কৌতূহলের বনলতার সাথে নাবিলা সঠিক বিচার করেছে। কী অসাধারণ সুন্দরী তিনি!’’

মহীনের মাঝে কৈশোর খুঁজে পাওয়া অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘‘মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায় কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে…’ সোহেল মণ্ডল বাংলাদেশের এক সম্পদ! বিশেষ করে তার শেষের দৃশ্যগুলোর মাঝে, কেমন এক নিজের কৈশোর মন খুঁজে পাওয়া।’’

‘বনলতা সেন’-এর সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানিয়ে স্পর্শিয়া লেখেন, ‘আমি সিনে সমালোচক নই। একজন শিল্পী ও দর্শক হিসেবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করছি। কিন্তু এই অনুভূতি অপূর্ণ থেকে যাবে যদি মাসুদ হাসান উজ্জ্বলকে ধন্যবাদ না জানাই। আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি তৃপ্তিময় ফিলোসোফিক্যাল আর্টিস্টিক টাইম মেশিন আমাদের দেওয়ার জন্য।’ 

পর্দার জীবনানন্দকে দেখে মুগ্ধ অভিনেত্রী বলেন, ‘এবার আসি জীবনানন্দের কাছে। তার কবিতার মাঝে কত কতবার নিজেকে হারিয়ে ফেলে জীবনকে পাওয়া, নিজের আবেগ-অনুভূতি আবিষ্কার করা! এই যুগে জীবনানন্দ দাসকে ধারণ করে আমাদের কাছে কেউ যদি তাকে উপস্থাপন করতে পারে, তাহলে সেটা শুধুমাত্র খায়রুল বাসার।’

তার কথায়, ‘খায়রুল বাসারের কণ্ঠ, চোখের চাওনি, ঠোঁটের কোণায় ব্যালেন্সড হাসি, ব্যক্তি জীবনে সাহিত্যচর্চা, তার সাথে স্বচ্ছ এবং আন্তরিক মন— সব মিলিয়ে বরাবরই সে একজন দুর্দান্ত পারফর্মার। আশা রাখি তাকে আরও ইউটিলাইজ করা হোক।’

সবশেষে অভিনেত্রীর অভিব্যক্তি, ‘সব গান সবার জন্য না, সব চলচ্চিত্র সবার জন্য না। বনলতা সেন অনেকের আমার মতো যেমন ভালো লাগবে, অনেকের লাগবে না। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় থাকবে বনলতা সেন।’