বিনোদন ডেস্ক
১১ জুলাই ২০২৫, ০৫:৩৬ পিএম
গত ৮ জুলাই করাচির একটি ফ্ল্যাট থেকে পাকিস্তানি মডেল-অভিনেত্রী হুমাইরা আসগর আলীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যুর পর প্রশ্ন ওঠে খুনের শিকার হয়েছেন তিনি। এরইমধ্যে অভিনেত্রীর পরিবার তাঁর মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।
পাকিস্তানের গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরদেহ প্রাথমিক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮-১০ মাস আগে মারা গেছেন হুমাইরা। অভিনেত্রীর মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন উঠে এসেছে বীভৎস চিত্র। অভিনেত্রীর শরীর মারাত্মকভাবে পচে গিয়েছিল। যার ফলে শরীরের কিছু অংশে মাংস, আঙুল ও নখ আলাদা হয়ে গেছে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অভিনেত্রীর শরীরের হাড়গুলো স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছিল। হাড়ে কোনো ফ্রাকচার শনাক্ত করা যায়নি। মাথা ও মেরুদণ্ড অক্ষত। তবে মেরুদণ্ডের কোনো কোনো কর্ড পাওয়া যায়নি। মরদেহ ঘিরে বাদামি রঙের পোকামাকড় ছিল। প্রাথমিক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন পুলিশ সার্জন সুমাইয়া সৈয়দ।
দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, অভিনেত্রী হুমাইরার শরীরে পচনের মাত্রা এমন পর্যায়ে গেছে যে, মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। তবে ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং টক্সিকোলজি টেস্ট চলছে।

বলে রাখা ভালো, অভিনেত্রী যে ফ্ল্যাটে থাকতেন সেই ফ্ল্যাটের ভাড়া ২০২৪ সাল থেকে পরিশোধ করেন না হুমাইরা। বাধ্য হয়ে বাড়ির মালিক আদালতের দ্বারস্থ হন। পরে আদালতের নির্দেশে গত ৮ জুলাই অ্যাপার্টমেন্টের দরজা ভেঙে ভেতর প্রবেশ করে হুমাইরার মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ।
ইএইচ/