নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন করে ভাবছে সরকার। শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি যাবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন বলেন, শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে সংশোধন করা যায় সেটা আমরা ভাবব। পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো মার্জ করা যায় কিনা সেটা আমরা ভেবে দেখব। তবে শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি যাবে না।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, গত এসএসসি পরীক্ষায় আমরা রি-এক্সামিন করেছিলাম। ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন বেশি। এবারও রি-এক্সামিন করব। কেউ যেন অবমূল্যায়িত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আগামী দিনে কাজ করা হবে। ফল সন্তষজনক হয়নি। এ ব্যাপারে শিক্ষা বোর্ডগুলোসহ আমরা আগামী দিনে ভালো করার চেষ্টা করব।
এহছানুল হক মিলন বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফের করা বিষয়ের পরীক্ষা কতদিনের মধ্যে নিলে ভালো হয় সেটা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভাবা হচ্ছে ১ মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে ভালো হয়।
এবার পাসের হার কমার কারণ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোথায় ঘাটতি রয়েছে সেটা আমাদের চিহ্নিত করে অ্যাড্রেস করতে হবে।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। দ্বাদশ শ্রেণির গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পর্যায়ে পা রাখতে যাওয়া এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০ হাজার ৮৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা উত্তীর্ণের মোট সংখ্যার ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
২০২৫ সালে এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ; তাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল।
সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বরাবরের মতই শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি মোবাইলে এসএমএস করেও উচ্চমাধ্যমিকের ফল জানা যাচ্ছে।
এমআর